ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এনবিএফসি প্রতিষ্ঠান এসএমএফজি ইন্ডিয়া ক্রেডিট ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ তাদের ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি ‘পশু বিকাশ দিবস’-এর অষ্টম সংস্করণ আয়োজন করে। ‘সর্বোত্তম সেবা: পশু, পরিবার আর প্রগতি’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে গবাদি পশুর সুস্বাস্থ্য রক্ষা, পারিবারিক সমৃদ্ধি এবং গ্রামীণ ভারতের স্থিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পালিত হয়। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগটি বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহত্তম একদিনের গবাদি পশু কল্যাণ কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। এই বছর দেশের ১৬টি রাজ্যের ৫১০টি ‘এসএমএফজি গ্রামশক্তি’ শাখার মাধ্যমে ১.৫৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এই সংস্থা। এর আওতায় প্রায় ১.৪ লক্ষ গবাদি পশুর চিকিৎসা হয়েছে এবং ১৪,০০০-এর বেশি মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে, যার সুফল পেয়েছেন ৩০,০০০-এরও বেশি পরিবার।
পশ্চিমবঙ্গেও এই উদ্যোগের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাজ্যের ৩২টি স্থানে আয়োজিত এই শিবিরে ১২,০০০-এর বেশি গবাদি পশুকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হয়েছে, এতে প্রায় ১,৬০০ পরিবারের উপকার হয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্পে অভিজ্ঞ পশুচিকিৎসকদের দ্বারা গবাদি পশুর বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে, এছাড়া ওষুধ ও টিকাকরণ এবং দুগ্ধবতী পশুর উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসএমএফজি ইন্ডিয়া ক্রেডিট-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মিঃ রবি নারায়ণন বলেন, “গ্রামীণ ভারতে গবাদি পশুর স্বাস্থ্য এবং পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নতি একে অপরের পরিপূরক। পশু বিকাশ দিবসের মাধ্যমে আমরা একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই যা নিম্ন স্তরের খামারিদের সাহায্য করবে”
উল্লেখ্য যে, এই কর্মসূচিটির কথা ২০১৫ সালে ‘লিমকা বুক অফ রেকর্ডস’-এ আসে।
এরপর ২০২৫ সালে একাধিক স্থানে একযোগে গবাদি পশু কল্যাণে পাঠদানের জন্য তাদের নাম ‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এ ওঠে, যা সংস্থাটির জন্য এক অনন্য মাইলফলক অর্জন। গ্রামীণ কল্যাণ এবং পশু স্বাস্থ্যের প্রতি দীর্ঘস্থায়ী প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে এসএমএফজি ইন্ডিয়া ক্রেডিট ক্রমাগত অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে।
