বিমানপথে মা*দক পাচার চক্রে গ্রেপ্তার ৪

বিমানে করে মণিপুর থেকে কলকাতায় আনা হচ্ছিল ব্রাউন সুগারের ‘র’ মেটেরিয়াল এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন পুলিশ সুপার অভিজিত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, খাবারের কন্টেনারের সঙ্গে কৌশলে প্যাকিং করে মাদক আনা হত। এরপর সেই কাঁচামাল পৌঁছে যেত মালদা জেলার কালিয়াচক এলাকায়, যেখানে তৈরি হতো ব্রাউন সুগার। পরে তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া হত।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে প্রথমে কলকাতায় অভিযান চালায় মালদা জেলা পুলিশ। সেখান থেকে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে কলকাতার একটি আবাসন থেকে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে দুই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তারা গোয়ায় আত্মগোপন করেছে। গোয়া পুলিশের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালিয়ে বাকি দু’জনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তদের জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত বিলাসবহুল। পুলিশ দাবি করেছে, প্রতিদিন ডান্স বারে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করত তারা।

জেলা পুলিশ সুপারের দাবি, কীভাবে বিমানের মাধ্যমে মাদক পাচার সম্ভব হল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোথায় ফাঁক রয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা, সেই দিকেও নজর রাখছে তদন্তকারী দল।