ইউগভ সমীক্ষায় কালিফর্নিয়া অ্যালমন্ডের চাহিদা

নতুন বছরের শুরুতে স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠুন, আর প্রতিদিনের সঙ্গী হিসেবে বেছে নিন অ্যালমন্ডের গুণাবলীকে। কারন, অ্যালমন্ড বোর্ড অফ ক্যালিফোর্নিয়ার সহযোগিতায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এক ইউগভ (YouGov) সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতীয় ভোক্তারা এখন অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন এবং তারা দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অ্যালমন্ডের মতো পুষ্টিগুণে ঠাসা খাবার অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে অ্যালমন্ড বা বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভারতের ১৬টি শহরে পরিচালিত এই সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রায় ৯২ শতাংশ মানুষ পুষ্টির বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং অর্ধেকেরও বেশি মানুষ সক্রিয় জীবনধারা ও নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী।

সমীক্ষার তথ্য বলছে, প্রায় ৬৩ শতাংশ ভারতীয় বর্তমানে ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, যার প্রধান উপায় হিসেবে তারা স্বাস্থ্যকর খাবার এবং পর্যাপ্ত জলপানকে বেছে নিয়েছেন। বিশেষ করে সকালের জলখাবারে অ্যালমন্ড খাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, কারণ এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি রাখে এবং জাঙ্ক খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমায়। প্রায় ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন তারা প্রতিদিন অ্যালমন্ড খান এবং এদের মধ্যে বড় একটি অংশ সকালে ভিজিয়ে রাখা বা কাঁচা অ্যালমন্ড খেতে পছন্দ করেন। ৮৬ শতাংশ ড্রাই ফুড পছন্দ করা মানুষের কাছে অ্যালমন্ডের চাহিদাই প্রথম।

পুষ্টিবিদ শিলা কৃষ্ণস্বামী এবং ম্যাক্স হেলথকেয়ারের ডায়েটিক্স বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান রিতিকা সমাদ্দার এই প্রবণতাকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের মতে, অ্যালমন্ডে থাকা ১৫টি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যেমন প্রোটিন, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্ক শরীরকে দীর্ঘক্ষণ কর্মক্ষম রাখে এবং মেদ ঝরাতে সহায়তা করে। সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে, উত্তর ও পশ্চিম ভারতে দৈনন্দিন রান্নায় অ্যালমন্ডের ব্যবহার বেশি। পূর্ব ভারতেও উৎসব ও বিশেষ অনুষ্ঠানে এর প্রচলন রয়েছে। ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষেরা অ্যালমন্ড কেনার সময় পুষ্টিগুণ এবং স্বচ্ছতার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি সচেতন বলে জানা গিয়েছে।