আধার হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এ শেষ হওয়া ত্রৈমাসিক এবং নয় মাসের আর্থিক ফলাফল ঘোষণা করেছে। এই সময়ে কোম্পানির মোট পরিচালিত সম্পদের পরিমাণ ২০% বৃদ্ধি পেয়ে ২৮,৭৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। নয় মাসে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) ২০% বেড়ে হয়েছে ৭৯৭ কোটি টাকা এবং শুধু তৃতীয় ত্রৈমাসিকে মুনাফা ২৩% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৪ কোটি টাকায়। এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি স্বল্প আয়ের মানুষের গৃহঋণ প্রদানে কোম্পানির প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করেছে। বর্তমানে কোম্পানির লোন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৩.২৪ লক্ষ অতিক্রম করেছে এবং নেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৭,১৮৫ কোটি টাকায়।
কোম্পানির এমডি এবং সিইও ঋষি আনন্দ এই সাফল্য প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের ‘আর্বান অ্যান্ড এমার্জিং’ ব্রাঞ্চ মডেল দারুণ কাজ করছে, যার ফলে ৬২১টিরও বেশি শাখার মাধ্যমে আমরা পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছি। জিএসটি ২.০ ফ্রেমওয়ার্ক আবাসন নির্মাণের খরচ কমাতে সাহায্য করেছে এবং বাজারে ক্রেতাদের ইতিবাচক মনোভাব বজায় রয়েছে।” তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ২.০ এই খাতের চাহিদা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ইতিমধ্যেই ১০,০০০-এর বেশি গ্রাহক এই প্রকল্পের অধীনে সুদের ভর্তুকির প্রথম কিস্তি পেয়েছেন, যা বিশেষ করে ইডব্লিউএস এবং এলআইজি শ্রেণির মানুষের জন্য বাড়ি কেনার পদ্ধতিকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে কোম্পানি ডিজিটাল-ফার্স্ট অপারেটিং মডেলের ওপর জোর দিয়েছে। আধার হাউজিং এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই পাইলট প্রজেক্টের গণ্ডি পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে এর ব্যবহারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এআই-চালিত আন্ডাররাইটিং এবং উন্নত রিস্ক ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে ঋণের গতি বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কোম্পানির লক্ষ্য।
