ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভার চুনাভাটি এলাকায় এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ। মৃত ব্যক্তির নাম মহম্মদ খাদেম। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ভোটার তালিকায় নাম ওঠা-নামা নিয়ে চরম মানসিক চাপে ভুগছিলেন তিনি।
সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে মহম্মদ খাদেমের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়।
মৃতের ছেলে মহম্মদ সাহিদ অভিযোগ করে জানান, এসআইআর সংক্রান্ত আতঙ্কে তার বাবার ঘুম উড়ে গিয়েছিল। যদিও মহম্মদ খাদেমের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল না, তবে তাদের কাছে বহু পুরনো নথিপত্র রয়েছে ও তারা দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় বসবাস করছেন।
পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, হেয়ারিং সম্পন্ন হওয়ার পরেও ভয় ও মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তার বাবা আত্মঘাতী হয়েছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত চুনাভাটিতে পৌঁছান শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গৌতম দেব জানান, জলপাইগুড়ি জেলায় এসআইআর সংক্রান্ত কারণে এই নিয়ে মোট সাতজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনের উপরেই বর্তায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
