অরূধা এসআইএফ লঞ্চ করল ‘অরূধা ইক্যুইটি লং-শর্ট ফান্ড

বন্ধন মিউচুয়াল ফান্ডের পক্ষ থেকে অরূধা এসআইএফ, স্পেশালাইজড ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডস (এসআইএফ) কাঠামোর অধীনে একটি ওপেন-এন্ডেড ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট স্ট্র্যাটেজি— ‘অরূধা ইক্যুইটি লং-শর্ট ফান্ড’ চালু করার কথা ঘোষণা করেছে। এই নিউ ফান্ড অফার আগামী বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে খুলবে এবং বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে বন্ধ হবে। বাজারের ওঠানামা এবং হাই ভোলাটাইল পরিবেশে যারা একটি অ্যাডাপটিভ পোর্টফোলিও খুঁজছেন, তাদের জন্য এই বিনিয়োগ কৌশলটি উপযুক্ত। অরূধা ইক্যুইটি লং-শর্ট ফান্ডে বিনিয়োগ করা যাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিস্ট্রিবিউটর, ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অথবা সরাসরি এই ঠিকানায় https://arudhasif.com/nfo/arudha-equity-long-short-fund/
এই লঞ্চ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বন্ধন এএমসি লিমিটেডের সিইও বিশাল কাপুর বলেন, “ইক্যুইটি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঐতিহ্যগতভাবে হাই রিটার্নের প্রত্যাশা এবং হাই ভোলাটাইল (অস্থির) বা ঝুঁকির মধ্যে যেকোনও একটির সঙ্গে আপস করতে হতো। বর্তমান বিনিয়োগকারীরা ক্রমশ এমন পদ্ধতি খুঁজছেন যা প্রবৃদ্ধিতে অংশ নেবে, আবার সুশৃঙ্খলভাবে ঝুঁকিও ম্যানেজ করবে। অরূধা ইক্যুইটি লং-শর্ট ফান্ড একটি লং-শর্ট কাঠামো গ্রহণ করে যা হাই-কনভিকশন ‘লং পজিশন’-এর সঙ্গে সিলেকটিভ ‘শর্ট এক্সপোজার’-এর মেল ঘটায়, যা পোর্টফোলিওকে ঊর্ধ্বমুখী এবং নিম্নমুখী—উভয় বাজারেই সুযোগ কাজে লাগাতে সাহায্য করে।”
স্ট্র্যাটেজি ডকুমেন্ট অনুযায়ী, এটি ইক্যুইটি এবং ইক্যুইটি ইন্সট্রুমেন্টে সর্বনিম্ন ৮০% এবং সর্বোচ্চ ১০০% বরাদ্দ করতে পারে এবং ডেরিভেটিভসে ২৫% পর্যন্ত আনহেজড শর্ট এক্সপোজার নিতে পারে। এই কৌশলের লক্ষ্য হলো শেয়ার বাজারের মতো ভালো লাভ দেওয়া, কিন্তু ঝুঁকির মাত্রা হাইব্রিড ফান্ডের মতো কমিয়ে রাখা। এটি লং-শর্ট পজিশনিং এবং ডেট ও ডেরিভেটিভ স্ট্র্যাটেজি নির্বাচন ও ব্যবহারের মাধ্যমে বাজারের সহজাত ভোলাটিলিটিকে সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করার পাশাপাশি ইক্যুইটি বাজারের প্রবৃদ্ধির সুযোগগুলো ধরার চেষ্টা করে। এই কৌশলটি চারটি ভিন্ন রিটার্ন ইঞ্জিনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি— ল্যং ইক্যুইটি, শর্ট ইক্যুইটি, কভার্ড কলস এবং ডেট; এগুলি প্রতিটি পোর্টফোলিওতে তাদের নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে গতিশীল বরাদ্দের মাধ্যমে, এই কৌশলের লক্ষ্য হলো বুল মার্কেটে অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, বাজার যখন একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করে (রেঞ্জ বাউন্ড ফেজ) তখন আয় ও আলফা (বাড়তি মুনাফা) তৈরি করা এবং বাজারের পতনের সময় স্থিতিস্থাপকতা বা সুরক্ষা বৃদ্ধি করা।