শীত বাড়তে থাকার সাথে সাথে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে ভাইরাসের প্রকোপও বেড়ে উঠেছে, ফলে কাশি, সর্দি, ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতাগুলোও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই নিজেকে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে ঘন ঘন হাত ধোয়া, ভিড় জায়গায় মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সুষম খাদ্য গ্রহণ করা এবং শরীরকে উষ্ণ রাখা গুরুত্বপূর্ণ।পাশাপাশি এই সময়ে যদি ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার টিকা নেওয়া যায় তাহলে আরও ভালো। জ্বর, কাশি, ক্লান্তি, গলা ব্যথা, শরীর ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণগুলো একই রকম হওয়ায়, উপসর্গগুলো ফ্লু নাকি অন্য কোনো গুরুতর রোগ সেটা নির্ধারণ করা কঠিন হতে পারে এবং যদি উপসর্গগুলো একই থাকে তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
তাই দিল্লির ডাঃ অরুণ ওয়াধওয়া, এমবিবিএস, এমডি – পেডিয়াট্রিক্স, ডাঃ অরুণ ওয়াধওয়া ক্লিনিক জানিয়েছেন, “শীতকালীন অসুস্থতা বেড়েই চলেছে, ফলে সুস্থতা লাভ এবং জটিলতা প্রতিরোধের জন্য সঠিক রোগ নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই অসুস্থতা বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।” আজকালের ব্যস্ত জীবনে কেউই অসুস্থতার কারণে পিছিয়ে থাকতে চায় না, তাই ফ্লু এবং নিউমোনিয়ার মতো শ্বাসযন্ত্রের রোগ দ্রুত নির্ণয়ের জন্য সময়মতো পরীক্ষা করা দরকার। অ্যাবোটের সংক্রামক রোগের চিকিৎসা বিষয়ক পরিচালক ডাঃ সোনু ভাটনাগর সময়মত পরীক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।” তাই এই মরসুমে নিজেকে সুস্থ রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শগুলি হল – ১. চিকিৎসার জন্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের পরীক্ষা, ২. উপসর্গ দেখা দিলে নজরদারি রাখা এবং যদি সেগুলো খারাপ হয় তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা, ৩. দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ এবং নির্ধারিত ওষুধের নিয়ম মেনে চলা, ৪. বিশ্রাম, পর্যাপ্ত জল পান এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার সাথে সাথে নিজের যত্ন নেওয়া, এবং ৫. সুস্থ হওয়ার জন্য এবং সংক্রমণ ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে, যদি প্রয়োজন হয় তবে বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকা। এই পদক্ষেপগুলো মেনে চললে একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শীতকাল উপভোগ করা যেতে পারে।
