‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, ‘ওয়ার্ক ফ্রম মাউন্টেন’ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম সি’-এর পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে এবার নতুন সংযোজন ‘ডিজিটাল নোম্যাডস ভিসা’। এই কর্মপদ্ধতিতে ভারতীয়রা এবার বিদেশে মাসের পর মাস থেকে অফিসের কাজ করতে পারবেন। স্পেন, পর্তুগাল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, কোস্টারিকা-সহ ৮টি দেশ ভারতীয়দের জন্য চালু করেছে এই নতুন ব্যবস্থা।
এই ভিসার জোরে যেকোনও দেশের কোম্পানিতেই কাজ করা যাবে। তবে সেই কাজ করতে হবে শুধুই অনলাইনে। এছাড়াও মিলবে নির্দিষ্ট দেশের অ্যাপার্টমেন্ট বা সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টে থাকার, ভাড়া নেওয়ার ছাড়পত্র। এমনকি সেই দেশে থাকার সময়সীমাও বাড়বে অনেকটাই। মূলত যাঁরা ফ্রিল্যান্সিং করেন এবং কাজের পাশাপাশি দেশ-বিদেশ বেড়াতে চান, তাঁদের জন্য এই ভিসা খুবই লাভজনক। এই ভিসার মাধ্যমে কাজ এবং ঘোরা দুই-ই হবে। বিশ্বের একাধিক দেশ এমনই সুযোগ দিচ্ছে ভারতীয়দের। জেনে নিন, পাঁচটি এমন দেশে ভিসা পাওয়ার নিয়ম ও সুবিধা।
স্পেন: স্পেনে রয়েছে ‘স্টার্টআপ অ্যাক্ট’। এই আইন অনুযায়ী, ৩ বছর সেই দেশে বসবাসের অনুমতি পাবেন ভিসাপ্রাপকেরা। আবেদনকারীর কমপক্ষে মাসিক আয় ২.৬ লক্ষ টাকা হলে, তবেই মিলবে ভিসার অনুমোদন।
পর্তুগাল: পর্তুগালে উপলব্ধ এই ভিসার নাম পর্তুগাল ডি৮ রিমোট ওয়ার্ক ভিসা। তবে ভিসা পেতে গেলে আবেদনকারীর মাসিক উপার্জন কম করে হতে হবে ৩.৩ লক্ষ টাকা। এছাড়াও, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট অর্থ থাকা আবশ্যক।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহি: মাসিক ২.৯ লক্ষ টাকা আয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে এই ভিসার আবেদন করা যাবে। দুবাই শহরে থেকে কাজের সুবিধা মিলবে। এক্ষেত্রে, কর্মক্ষেত্র দেশের বাইরে হওয়ায় সুবিধাভোগীকে এই দেশে থাকলেও আয়কর দিতে হবে না।
তাইল্যান্ড: এই দেশে ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে নির্দিষ্ট মাসিক আয় দেখানোর প্রয়োজন নেই। তবে ব্যাঙ্কে কম করে সাড়ে ১১.৫ লক্ষ টাকা থাকা আবশ্যক। এই ভিসার সাহায্যে ভারতীয়রা তাইল্যান্ডে ৫ বছর পর্যন্ত থাকতে পারবেন।
শ্রীলঙ্কা: কমপক্ষে মাসিক ১.৬ লক্ষ টাকা আয়ে মিলবে সে দেশে থেকে কাজ করার সুযোগ। তবে সাথে আরও দু’জন পারিবারিক সদস্য থাকলে অতিরিক্ত ৫০০ ডলার দিতে হবে।
