প্রচার মিছিল ঘিরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘ*র্ষ

নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে মাথাভাঙ্গা শহরে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মাথাভাঙ্গা শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর রায় বসুনিয়া ও এক তৃণমূল কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক প্রচার সেরে শহরে ঢোকার সময় তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। সেই সময় বিজেপি প্রার্থীর কনভয় থামিয়ে এক মহিলার মুখে থুতু দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদ করতেই কাউন্সিলরকে মারধর করা হয় ও এক কর্মীর হাত ভেঙে দেওয়া হয় বলে দাবি তৃণমূলের।

ঘটনার পর তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা মাথাভাঙ্গা থানার সামনে বিক্ষোভে সামিল হন ও লিখিত অভিযোগ জানানোর কথা বলেন। অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক জানান, পুলিশ নির্ধারিত রুট মেনেই তারা যাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরাই প্রথমে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও পাথর ছোঁড়া শুরু করে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এদিকে, একই ঘটনার জেরে শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, থানার সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন তাদের কনভয়ের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।

তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। উল্টে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলেছে তারা। ঘটনার পর দ্রুত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। মাথাভাঙ্গা থানার আইসি শুভজিৎ ঝার নেতৃত্বে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।