সকলের অজান্তেই বিলি হয়ে গেল কোচবিহার পুরসভার ভবানীগঞ্জ বাজারের তিনটি সরকারি স্টল। সেই স্টলগুলির একটি পেয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার চন্দনা মহন্তর স্বামী দীপক মহন্ত। আরেকটি পেয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলার উজ্জ্বল তরের স্ত্রী দীপালি তর। তিন নম্বর স্টলটি পেয়েছেন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের রূপা দাস মজুমদার। রাজ্য পুর দপ্তরে স্টল বিলি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে রূপা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার অভিজিৎ মজুমদারের ভাইয়ের স্ত্রী। যদিও রূপা তাঁর ভাইয়ের স্ত্রী নন বলেই জানিয়েছেন অভিজিৎ। স্টল নিয়ে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিরুদ্ধে বড়সড়ো দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিরোধী নেতৃত্বরা।
অভিযোগ, পুর চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ একক সিদ্ধান্তেই স্টলগুলি বিলি করেছেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছে তরজা। বিরোধীরা তো বটেই রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কীর্তিতে শাসকদলের অভ্যন্তরেও ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্টল বিলি নিয়ে দলের ভেতরেই সরব হয়েছেন তৃণমূল নেতাদের একাংশ।
কর বৃদ্ধি সহ নানা ঘটনায় রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর চেয়ার যে টলমল করছে তা ভালোই বুঝছেন রবীন্দ্রনাথের অনুগামীরাও। সম্প্রতি তাঁকে পদত্যাগ করতে দলের পক্ষ থেকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের কথা, ‘বাজারের কোনও স্টল ফাঁকা থাকলে আবেদনের ভিত্তিতে নির্ধারিত সেলামি দিয়ে যে কেউই তা নিতে পারেন।
