কেউ চা বিক্রি করে, কেউ ঘুঘনি, আবার কেউ রুটি – সবজি বিক্রি করে কোনওমতে সংসারের হাল ধরেছেন। সেই রুজি – রুটিতেই এবার বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রেল দপ্তর – এই অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামলেন এনজেপি স্টেশনের হকাররা। রেলের ভিতরে বা স্টেশন চত্বরে ছোটখাটো ব্যবসা করলেই জরিমানা করা হচ্ছে, যার অঙ্ক হাজার টাকারও বেশি। ফলে চরম সংকটে পড়েছেন বহু হকার। অনেকেই রেলকর্মীদের চোখ এড়িয়ে ব্যবসা চালালেও, অনেকে জরিমানার ভয়ে দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে পরিবার নিয়ে অনাহারে দিন কাটছে বহু হকারের।
রেলের এই দমন – পীড়নমূলক নীতির প্রতিবাদে ব্যবসার সামগ্রী নিয়েই রেল আধিকারিকের দপ্তরের সামনে হাজির হন হকাররা। এডিআরএম অফিসের গেটের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। হকারদের এই আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে পাশে দাঁড়ায় আইএনটিটিইউসি এনজেপি শাখা। সংগঠনের সভাপতি সুজয় সরকারের নেতৃত্বে এদিন আন্দোলন সংগঠিত হয়। বিক্ষোভ শেষে এডিআরএম অজয় সিং – এর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
সেখানে সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে দমন -পীড়ন বন্ধের দাবি জানানো হয়। আইএনটিটিইউসি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে হকারদের নিয়ে কর্মবিরতিতে যাওয়ার পাশাপাশি রেল পরিষেবা অচল করে দেওয়ার মতো কঠোর আন্দোলনে নামা হবে।
