জাওয়া ৪২, নিও-ক্লাসিকে আলোড়ন তুলে, এখন আইভরি রঙে

নিও-ক্লাসিক সেগমেন্টে পথিকৃৎ জাওয়া ইয়েজদি মোটর সাইকেল-এর জাওয়া ৪২ চলে এল একেবারে নতুন আইভরি রঙে। একেবারে সতেজ এই প্যাস্টেল শেড-এ প্রতিফলিত হচ্ছে সারা পৃথিবীর এখনকার রুচি। এই মুহূর্তে সবাই আরও শান্ত-সমাহিত রং পছন্দ করছে। কেননা, সবাই এখন সাংস্কৃতিক কোলাহল থেকে স্বস্তি পেতে চাইছে। এই আইভরি রংই কালার অব দ্য ইয়ার ২০২৬ হয়েছে। অন্যদিকে, ৪২ সংখ্যার যে রেট্রো লিভারি ও ডিক্যাল্স আছে তা আরও বেশি করে নতুন জাওয়া ৪২ আইভরির অনাড়ম্বর ও ছিমছাম ভাবকে ফুটিয়ে তুলেছে।  

জাওয়া ৪২ নিজেই সেই তরুণদের জন্য একটি জবানি যাঁরা নিজস্বতাকে মূল্য দেন। এই গাড়িই প্রথম বার সিল্যুয়েট ও আইকনিক প্যাস্টেল শেডের ডিজাইন নিয়ে এসেছিল ২০১৮ সালে এবং মোনোক্রোম ক্লাসিক সেগমেন্টে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। ৪২-র আমুদে কালার প্যালেট ও চমকপ্রদ রূপ সেই দিকটির নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে যা অকৃত্রিম ভাবে রেট্রো ও শান্ত-নিশ্চিন্ত ভাবকে প্রকাশ করে। এই গাড়ির ট্যাঙ্কের নীচে আছে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ইঞ্জিনিয়ারিং। এর আসল প্যাস্টেল রেঞ্জ সরাসরি মাঝারি সাইজের ক্লাসিকগুলির সেই ধূসর জায়গাগুলোকে পার করে চলে গেছে। যা একসময় আগাম আঁচ করার মতন ডিজাইন ও একঘেয়ে পারফরম্যান্সকে ফিরিয়ে আনত।   

জাওয়া ইয়েজদি মোটর সাইকেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা অনুপম থরেজা বললেন, “জাওয়া ৪২ ক্লাসিক প্লে-বুককে নতুন করে লিখেছিল সেই ২০১৮ সালে। তা দেখিয়ে দিয়েছিল যে ভারতীয় বাইক-চালকরা সত্যিকারের নিও-ক্লাসিকের থেকে কী প্রত্যাশা করতে পারেন। জাওয়া ৪২-তে আছে বোল্ড ডিজাইন, পারফরম্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিং, সুরক্ষা, ও চালককে প্রাধান্য দেওয়ার মতন নানা ফিচার। এই ভাবে গাড়িটি আজকের দিনেও একঘেয়েমির অ্যান্টিডোট হিসাবে কাজ করে চলেছে। যাঁরা জাওয়া ৪২ বেছে নেন, তাঁরা কোলাহল থেকে বেরিয়ে নিজেদের গল্প নিজেরাই লেখেন। তাঁরা ট্রেন্ড নিয়ে বিচলিত থাকেন না। তাঁরা কিউরেশন নিয়েও মাথা ঘামান না। আমরা এই মেজাজকেই ধরে রাখতে চেয়েছি আইভরি রঙের মধ্যে। এ হল এমন রং যার সাহায্যে চালক নিজেই জাওয়া-র অনাড়ম্বর শান্ত-সমাহিত ভাবকে আবিষ্কার করে নেন নিজস্ব গতি ও ছন্দে। ৪২ হল আমাদের সৎ কৌতুহলের প্রতীক। জাওয়া সব সময় রেট্রো রুল-বুককে তছনছ করে দিয়েছে, কথাবার্তার স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করেছে, স্মৃতি ও আবিষ্কারের মানসিকতা জাগিয়ে তুলেছে।”