ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে কলকাতা ২০২৫ সালে কুইক-কমার্সকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করে নিয়েছে। সুইগি ইন্সটামার্টের বার্ষিক রিপোর্ট ‘হাউ ইন্ডিয়া ইন্সটামার্টেড ২০২৫’ অনুযায়ী, শহরটি প্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে বিলাসবহুল কেনাকাটায় অনন্য নজির গড়েছে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, কলকাতার একজন একনিষ্ঠ গ্রাহক এক বছরে ১,২০০টিরও বেশি অর্ডার দিয়েছেন। কেনাকাটার ধরনে একদিকে যেমন দই, মাছ, মাংস ও ডিমের মতো রান্নাঘরের সামগ্রী ছিল, অন্যদিকে ১.৯৯ লক্ষ টাকার একক অর্ডারের মতো প্রিমিয়াম কেনাকাটাও হয়েছে। বিশেষ করে উৎসবের মরশুমে ১৫ লক্ষ টাকার স্বর্ণমুদ্রা কেনা এবং বর্ষাকালে রেইনওয়্যারের চাহিদা শহরটির বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রাকে প্রতিফলিত করে।
সুইগির চিফ বিজনেস অফিসার হরি কুমার গোপীনাথন জানান, “ইন্সটামার্ট এখন আর কেবল শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন পরিকল্পিত এবং প্রিমিয়াম কেনাকাটার নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।”
কলকাতায় ১২০০+ অর্ডারের মাধ্যমে এক ব্যবহারকারীর ইনস্টামার্টের প্রতি নির্ভরতার গল্প শোনা গিয়েছে। রান্নাঘরের দখলে ছিল সস, চিজ, টাটকা শাকসবজি এবং ভোজ্য তেলের ব্যাপক চাহিদা। মিনারেল ওয়াটার, সফট ড্রিঙ্কস এবং চিপস ছিল রাতজাগা শহরবাসীর সম্বল। ইলেকট্রনিক্স, খেলনা এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। জাতীয় স্তরেও ইন্সটামার্টের দাপট ছিল লক্ষণীয়। ভারতে প্রতি সেকেন্ডে ৪টির বেশি দুধের প্যাকেট অর্ডার করা হয়েছে। হায়দ্রাবাদের একজন ব্যবহারকারী একবারে ৪.৩ লক্ষ টাকার আইফোন ১৭ প্রো কিনে রেকর্ড গড়েছেন। বর্তমানে ১২৮টিরও বেশি শহরে সক্রিয় ইন্সটামার্ট ১০ মিনিট বা তার কম সময়ে মানুষের দোরগোড়ায় প্রয়োজনীয় সব পণ্য পৌঁছে দিচ্ছে।
