খুবই নিঃশব্দে সঙ্গীত হয়ে উঠেছে অন্যতম ক্ষমতাবান একটা শক্তি যা তরুণ ভারতীয়দের ভ্রমণ সংক্রান্ত পছন্দকে স্থির করে দিচ্ছে। এআরবিএনবির নতুন অভিজ্ঞতা ভিত্তিক ভ্রমণ অন্তর্দৃষ্টি ১ দেখিয়ে দিচ্ছে জেন জেড ক্রমশ বেশি বেশি করে লাইভ কনসার্ট ও উৎসবগুলিকে মাথায় রেখে তাদের ভ্রমণের জায়গাগুলো পরিকল্পনা করছে। এবং মিউজিক্যাল পারফরমেন্সগুলিকেই নতুন শহর আবিষ্কারের সিংহদুয়ারে পরিণত করছে। সেখানে তারা বেশি সময় থাকছে, এবং সময় কাটাচ্ছে এবং সেই শহরের এলাকাগুলিকে ঘুরে দেখছে। এই কাজটা তারা করছে কনসার্ট বা সঙ্গীতানুষ্ঠান হয়ে যাওয়ার পরেও। এই প্রজন্মের জন্য ভ্রমণের সিদ্ধান্তের পিছনে আর ক্যালেন্ডারের তারিখ কাজ করে না। বরং ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে অনেক বেশি করে সংস্কৃতির কারণে। লাইভ ইভেন্ট এবং আইআরএল অভিজ্ঞতাগুলি প্রভাবিত করে কোথায় তারা যাবে, কাদের সঙ্গে যাবে, এবং যেখানে যাচ্ছে সেখানটা কতটা নিবিড় ভাবে তারা ঘুরে দেখবে।
তরুণ ভারত কোথায় বেড়াবে, এবং কী আবিষ্কার করবে তা ঠিক করে দিচ্ছে সঙ্গীতই ২০২৬ সালে সঙ্গীত আরও বড় ভূমিকা পালন করবে ভ্রমণের বিষয়টা ঠিক করে দেওয়ার ব্যাপারে। জেন জেড এর ৬২ শতাংশ কনসার্ট ও সঙ্গীত উৎসবকে কেন্দ্র করে তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা করছে। তাদের এই ইচ্ছা ইতিমধ্যেই প্রতিফলিত হয়েছে তাদের সাম্প্রতিক আচরণে : প্রতি তিন জনে এক জনের বেশি (৩৬%) কোনও ইভেন্টের খবর শোনা মাত্র তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে শুরু করছে। গতানুগতিক ভাবে পর্যটন বা ভ্রমণের একটা ছাঁদ আছে। সেই ধরনের বেড়ানো হয় মরশুমে, ছুটির সময়ে, কিংবা সপ্তাহের শেষে টানা ছুটি থাকলে। তবে এই ছক তরুণ ভ্রমণপিপাসীদের জন্য নয়। তারা গুরুত্ব দেয় নতুন নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের ওপর। তাদের সবচেয়ে বড় যে ভাবনা থাকে তা হল নতুন জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ এবং জীবনে একবারই সুযোগ আসবে এমন সাংস্কৃতিক মুহুর্তের সাক্ষী থাকার উত্তেজনা।
তরুণ ভারতীয়দের ভ্রমণে সঙ্গীত কতটা কেন্দ্রীয় বিষয় তার স্পষ্ট ইঙ্গিত হল: আক্ষরিক অর্থে দূরত্ব পেরিয়ে তারা কতটা আগ্রহী তাদের প্রিয় শিল্পীর লাইভ পারফরমেন্স দেখতে যেতে। এই ধরনের ইভেন্টের জন্য এমনকি বিদেশেও যেতে রাজি ৪০ শতাংশের বেশি তরুণ। এদের গন্তব্য হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৪৮%), ইউরোপ ৪৫ শতাংশ এবং বাকি এশিয়া (৪৬%)। এর মানে সব জায়গায় যেতে চান প্রায় সমান সংখ্যক তরুণ।
