দোল পূর্ণিমাকে সামনে রেখে শহর শিলিগুড়িতে রঙের বাজার জমলেও ব্যবসায়ীদের মুখে একসঙ্গে হাসি ও হতাশার সুর। একদিকে অভিনব ডিজাইনের পিচকারি ও রঙিন আবিরে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। অন্যদিকে অতিরিক্ত দোকান খোলায় বিক্রি ভাগ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ অনেকের।
এবারের বাজারে হাতুড়ি, ত্রিশূল ও শার্ক ফিস আকৃতির পিচকারি বিশেষ নজর কেড়েছে। শিশু ও কিশোরদের মধ্যে এসব ডিজাইনের চাহিদা বেশি। দামও নাগালের মধ্যেই – কেজি প্রতি ৮০ টাকা থেকে আবির, আর পিচকারি ১০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে মিলছে। ফলে মধ্যবিত্ত ক্রেতারাও স্বচ্ছন্দে কেনাকাটা করছে।
তবে সব দোকানে ভিড় সমান নয়। শহরের প্রধান বাজার এলাকায় ক্রেতার চাপ থাকলেও অলিগলির ছোট দোকানগুলিতে বিক্রি তুলনামূলক কম। এক ব্যবসায়ীর কথায়, “দোকান বেড়েছে অনেক। ফলে আগের মতো একেক দোকানে ভিড় হচ্ছে না।”
অন্যদিকে কিছু ব্যবসায়ীর মতে, স্কুল – কলেজের পরীক্ষা আগেভাগে শেষ হওয়ায় এবার ক্রেতারা আগে থেকেই কেনাকাটা শুরু করেছে। ফলে উৎসবের অন্তত কয়েক দিন আগে থেকেই বাজারে গতি এসেছে।
ক্রেতাদের বক্তব্য, দাম এখনও সহনীয় থাকায় কেনাকাটায় খুব সমস্যা হচ্ছে না। তবে অনেকেই পরিবেশবান্ধব আবিরের খোঁজও করছে, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার কিছুটা বেশি দেখা যাচ্ছে বাজারে।
সব মিলিয়ে হোলির বাজারে রঙিন চিত্র থাকলেও, ব্যবসায়ীদের আয় নিয়ে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
উৎসব যত এগোবে, বিক্রির ছবিও তত পরিষ্কার হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মহল।
