ভারতের বৃহত্তম কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড স্যামসাং, তাদের ‘স্যামসাং ইনোভেশন ক্যাম্পাস’ কর্মসূচির অধীনে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ফিউচার-টেক প্রশিক্ষণে ৭৫০ জন শিক্ষার্থীকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কোডিং ও প্রোগ্রামিংয়ে জন্য শংসাপত্র প্রদান করেছে। বিশাখাপত্তনমের বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি এবং ডায়েট কলেজে পৃথক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই শংসাপত্র দেওয়া হয়।
বিজ্ঞান কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাইবার ক্রাইম সিআইডি এসইপি ডঃ বি. রবি কিরণ এবং কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ সুধাকর জ্যথুলা। সেখানে ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ডায়েট কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এআই-প্রশিক্ষণের জন্য সম্মানিত করা হয়। অনুষ্ঠানে ইলেকট্রনিক্স সেক্টর স্কিলস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। স্যামসাং ইনোভেশন ক্যাম্পাস কর্মসূচিটি ভারত সরকারের ‘স্কিল ইন্ডিয়া’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২০২৫ সালে এই কর্মসূচি ১০টি রাজ্যে ২০,০০০ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি। বিশেষ উল্লেখযোগ্য যে, এই জাতীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের ৪২% নারী, যা উচ্চমানের প্রযুক্তি শিক্ষায় স্যামসাংয়ের সমানাধিকারের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।
স্যামসাং সলভ ফর টুমরো এবং দোস্ত (ডিওএসটি)-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে সংস্থাটি তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনের পথ প্রশস্ত করছে। পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোর শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে স্যামসাং একটি ডিজিটালি দক্ষ এবং উদ্ভাবন-প্রস্তুত মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা শেষ পর্যন্ত ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
