এস আই আর বিক্ষোভ অব্যাহত ইসলামপুরে

আবারও SIR হেয়ারিং এর নোটিশ জারি করার ঘটনায় ইসলামপুর থানার সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলঝাড়ি এলাকায় রাজ্য সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইসলামপুর থানার পুলিশ। অন্যদিকে এসআইআর হেয়ারিংয়ের নোটিশ দেরিতে দেওয়ার অভিযোগে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ । এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। শুক্রবার ইসলামপুর ব্লকের কমলাগাঁও সুজালী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীদের একাংশ। অভিযোগ, ১৭ তারিখ হেয়ারিং নির্ধারিত থাকলেও বুথ লেভেল অফিসার দেরিতে নোটিশ বিলি করছেন, যার ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি, হাতে সময় না রেখে নোটিশ দেওয়ার ফলে তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জোগাড় করতে পারছেন না।

পাশাপাশি, কীভাবে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে সে বিষয়েও অনেকে ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন। আরও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিন রাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়ে। অনেক গ্রামবাসী বর্তমানে কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে রয়েছেন। মাত্র একদিনের নোটিশে তাদের পক্ষে গ্রামে ফিরে হেয়ারিংয়ে যোগ দেওয়া কার্যত অসম্ভব। এই অব্যবস্থার প্রতিবাদেই এদিন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। দীর্ঘক্ষণ অবরোধ চলায় এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইসলামপুর থানার রামগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে যান স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান লতিফুল রহমান এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। তারা গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত করেন। এ বিষয়ে বুথ লেভেল অফিসার বিশ্বজিৎ বসাক জানান, প্রায় ৪৫৮টি নোটিশ একদিনে বিলি করা সম্ভব হয়নি।

সরকারি দপ্তর থেকে দেরিতে নোটিশ আসায় এবং কাজের চাপের কারণেই এই বিলম্ব। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, বিডিও সাহেবের সাথে কথা হয়েছে, যারা নির্ধারিত দিনে উপস্থিত থাকতে পারবেন না, তাদের জন্য পরবর্তীতে বিকল্প দিনে বা পাশের বুথের হেয়ারিংয়ের দিন সুযোগ দেওয়া হবে। প্রশাসনের এই আশ্বাসের পর এবং স্থানীয় নেতৃত্বদের হস্তক্ষেপে গ্রামবাসীরা পথ অবরোধ তুলে নেন। এদিকে গতকাল চাকুলিয়ায় গান্ধী মূর্তি সহ বিভিন্ন সরকারি আসবাবপত্র ভাঙচুরের ঘটনায় চাকুলিয়া থানা থেকে ধৃতদের ইসলামপুর মহকুমা আদালতের জন্য পাঠানো হলো, অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পরেন। নির্দোষ বলে দাবি এক অভিযুক্তের।