রানওয়ে সম্প্রসারণে অচলাবস্থা! বিমানবন্দর পরিদর্শনে শমীক ভট্টাচার্য

পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় কোচবিহার বিমানবন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা ঘনীভূত হচ্ছে। নয় আসনের ছোট বিমান চালিয়ে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা আর এই রুটে পরিষেবা চালাতে আগ্রহী নয়।

ফলে চলতি চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই, আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে কোচবিহার থেকে উড়ান পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য মাত্র ১,০৬৯ মিটার। এই দৈর্ঘ্যে ছোট বিমান চলাচল সম্ভব হলেও মাঝারি বা বড় আসনের বিমান ওঠানামা করতে পারে না।

যাত্রী সংখ্যা বাড়ানো ও নিয়মিত পরিষেবা চালু রাখতে রানওয়ে সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই লক্ষ্যেই লাগোয়া মরা তোর্সা নদীর উপর বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে রানওয়ের দৈর্ঘ্য আরও প্রায় ৬৫০ মিটার বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই কাজ কার্যত থমকে রয়েছে। ফলে বিমান সংস্থার আগ্রহ কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

এই প্রেক্ষাপটে শনিবার কোচবিহার বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন বিজেপির রাজ্য সভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, কেন্দ্র সরকার বিমান পরিষেবা বজায় রাখতে আগ্রহী হলেও রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।

রানওয়ে সম্প্রসারণ ও পরিকাঠামো উন্নয়ন দ্রুত না হলে কোচবিহার বিমানবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

উড়ান পরিষেবা বন্ধ হলে উত্তরবঙ্গের এই সীমান্তবর্তী জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও দুর্বল হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

এখন দেখার, প্রশাসনিক উদ্যোগে আদৌ এই অচলাবস্থা কাটে কি না।