প্রায় বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরে চলা এই কম্পনে জেলাজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, দুপুরের এই কম্পনে ঘরবাড়ির আসবাবপত্র, টেবিল-চেয়ার, এমনকি সিলিং ফ্যান ও টিভি পর্যন্ত দুলতে শুরু করে। আজ দুপুর আনুমানিক ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই কম্পন অনুভূত হয়।
কলকাতা সহ জেলার বারুইপুর, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে কম্পনের মাত্রা ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেক বাড়িতে গামলায় রাখা জল ছলকে উঠতে দেখা যায়, যা কম্পনের তীব্রতা প্রমাণ করে। আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন আবালবৃদ্ধবনিতা। ছোট ছোট শিশুরা ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়, ফলে এলাকায় এক চরম অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এখনও পর্যন্ত জেলার কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে পুরনো অনেক বাড়িতে ফাটল ধরার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক নজর রাখছে এবং সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রাথমিক সূত্র অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল প্রায় ৫.৪। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি কলকাতা,দক্ষিণ ২৪ পরগনাও এই কম্পনের প্রভাব বলয়ের মধ্যে ছিল।
