দলনেত্রীর ফোনেই বদলাল সমীকরণ, তৃণমূলেই থাকছেন খগেশ্বর

দলের টিকিট না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন রাজগঞ্জের চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। জেলা চেয়ারম্যান পদ ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামও দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল তাহলে কি তিনি দল ছাড়তে চলেছেন, নাকি প্রার্থী বদল হবে রাজগঞ্জে?

তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটল বৃহস্পতিবার দুপুরে। রাজগঞ্জে নিজের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে খগেশ্বর রায় জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ফোন করে কথা বলেছেন। দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয় দু’জনের মধ্যে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খোঁজ নেওয়া ও দলের কাজে সক্রিয় থাকার আহ্বানেই তাঁর অভিমান ভেঙে যায় বলে জানান তিনি।

খগেশ্বর রায় স্পষ্ট করেন, তিনি এখনও লিখিতভাবে জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তিনি তৃণমূলেই থাকছেন। জেলা সভাপতি মহুয়া গোপও জানান, খগেশ্বর রায়ই জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে বহাল থাকছেন।

জানা যায় শিলিগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব-এর বাড়িতে ডাকা বৈঠকে যোগ দেন খগেশ্বর রায়। সেখানেই মমতার সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথন হয়। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্বীকার করেন, প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর যে সমস্ত মন্তব্য করেছিলেন, তা আবেগের বশেই করেছিলেন।

সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মালবাজারের প্রার্থী বুলু চিক বড়াইক, জেলা মেন্টর চন্দন ভৌমিক, যুব সভাপতি রামমোহন রায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। বৈঠক থেকে খগেশ্বর রায় জানান, দলের নির্দেশ মেনে তিনি এখন থেকে জেলায় সব প্রার্থীর প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন। বিশেষ করে রাজগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মন-সহ সকল প্রার্থীর জয়ের লক্ষ্যে কাজ করবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।