আজ জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫° ডিগ্রি

একদিকে কুয়াশা, অপর দিকে ঠান্ডায় জুবুথুবু জলপাইগুড়িবাসী। কয়েকদিন ধরেই ঝাকিয়ে শীত, কনকনে ঠান্ডায় কাবু  উত্তরের জলপাইগুড়ি। ঠান্ডা হাওয়া এবং কুয়াশার কারণে অন্ধকার নেমে এসেছে। যেকোনো দুর্ঘটনায় রাতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জাতীয় সড়কে চালকদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে গরম চা জল খাইয়ে সচেতন করা হচ্ছে। কেউ কেউ আবার দু:স্ত গরিব রাস্তার ধারে জীবনযাপন করে রাত কাটাচ্ছেন, এমন বহু মানুষদের কম্বল বিতরণে এগিয়ে এসেছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই  প্রচণ্ড কুয়াশার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় জলপাইগুড়িতে। এদিন সকাল ৮ টা নাগাদও কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল জলপাইগুড়ি‌র বেশিরভাগ এলাকা। এজন্য বেলা বাড়লেও রাস্তায় লোকজন খুব একটা দেখা যায়‌নি। তবে এই শীতকে দারুনভাবে উপভোগ করছেন জলপাইগুড়িবাসী। সকাল থেকেই এদিন ভিড় বাড়তে দেখা যায় চায়ের দোকানগুলো‌তে। জলপাইগুড়ি শহরের পাশাপাশি সকাল থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি সহ ডুয়ার্সের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো।

জেলা‌র প্রায় সর্বত্রই তাপমাত্রা এখন নিম্নমুখী রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে বলে ১১-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে‌র আশেপাশে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা অনুযায়ী উত্তর‌বঙ্গের বিভিন্ন জেলা‌য় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে আরও নামবে। অতিরিক্ত কুয়াশার জন্য মোটরবাইক ও গাড়ি চালকদের জাতীয় সড়কে ফগলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি‌ চালাতে দেখা যাচ্ছে।