কোকা-কোলা ইন্ডিয়া পুজো উদযাপনে নিয়ে এসেছে সতেজতা ও স্থানীয় অভিজ্ঞতা

পুজো ছিল পারিবারিক পুনর্মিলন, প্যান্ডেল হপিং, স্থানীয় খাবারের স্বাদ গ্রহণ এবং সঙ্গীত, সংস্কৃতি ও উদযাপনে পাড়া-মহল্লা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠার সময়। এই ঐতিহ্যগুলি মানুষকে একত্রিত করত, প্রিয়জনদের সাথে পুনরায় সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করত এবং একসঙ্গে এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও রন্ধনসম্পর্কীয় ঐতিহ্যকে উপভোগ করার সুযোগ করে দিত।

উৎসবের মরসুমে, কোকা-কোলা ইন্ডিয়া বিভিন্ন বাজার জুড়ে নানান সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তার পানীয় সম্ভারকে ভোক্তাদের আরও কাছে নিয়ে এসেছে। এই উদ্যোগগুলি মূলত বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, জনপ্রিয় ফুড ডেস্টিনেশন এবং উৎসবের প্যান্ডেলগুলিতে সক্রিয় করা হয়েছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল উৎসবের আনন্দ, ঐতিহ্য এবং বিশেষ মুহূর্তগুলোর অংশ হয়ে ওঠা।

অনেক পরিবারের জন্য, প্রিয়জনদের ঘরে ফেরার মধ্য দিয়েই উৎসবের মরসুম শুরু হয়েছিল। এই পুনর্মিলনগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে, ভারতের নিজস্ব বিলিয়ন-ডলার ব্র্যান্ড ‘মাজা’ পশ্চিমবঙ্গের আবাসিক এলাকাগুলোতে উৎসবের আয়োজন এবং ছবি তোলার সুযোগ তৈরি করেছিল। ব্র্যান্ডটি তার ‘কলকাতা মিক্সোলজি’র মাধ্যমে উৎসবে এক নতুনত্বের ছোঁয়াও এনেছিল। এই আয়োজনে ‘মাজা’ দিয়ে তৈরি মকটেল পরিবেশন করা হয়েছিল, যা গ্রাহকরা চেখে দেখার ও উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। ‘মাজা আমন্ত্রণ’-এর মাধ্যমে ‘মাজা’ বাংলার ‘আমন্ত্রণ’ প্রথাকেও জীবন্ত করে তুলেছিল।

খুচরা দোকান, অস্থায়ী উৎসবের স্টল এবং ফাস্ট ফুডের দোকানগুলিতে পানীয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে পুজো উদযাপনের জন্য একত্রিত হওয়ার সময় ভোক্তারা তাদের প্রিয় পানীয় উপভোগ করতে পারেন। খাবার বাংলার উৎসব সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, উৎসবের দিনগুলোতে স্থানীয় সুস্বাদু খাবারগুলি একসাথে খাওয়া, আড্ডা, গল্প আর পুরোনো সবকিছুর স্মৃতিচারণ মানুষকে একত্রিত করে। ‘লাল মেঝে’-র মাধ্যমে কোকা-কোলা কলকাতার আড্ডার এই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছে। প্যান্ডেল ঘোরা, খাওয়া-দাওয়া এবং উৎসবের পাশাপাশি, বন্ধু, পরিবার এবং পুরোনো পরিচিতদের সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হওয়াও এই অভিজ্ঞতার একটি সমানভাবে প্রিয় অংশ ছিল। নির্দিষ্ট ‘লাল মেঝে’ আড্ডার স্থানগুলির মাধ্যমে কোকা-কোলা এই ঐতিহ্যকে উৎসবের উদযাপনের মধ্যে নিয়ে এসেছে।

স্প্রাইট ‘স্প্রাইট x স্পাইসি পুজো চ্যালেঞ্জ’-এর মাধ্যমে বাংলার ঝাল খাবারের প্রতি ভালোবাসা এবং প্যান্ডেল ঘোরার বিষয়টিকে কাজে লাগিয়েছে। এই উদ্যোগটি কলকাতার জনপ্রিয় খাবারের গলিগুলোকে চ্যালেঞ্জ হাবে রূপান্তরিত করেছিল এবং গেমের মাধ্যমে ভোক্তাদের স্থানীয় খাবারের জায়গাগুলো খুঁজে বের করতে উৎসাহিত করেছিল। এই অভিজ্ঞতাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল ব্র্যান্ডেড স্প্রাইট এক্স স্পাইসি কার্ট, ফুড-আউটলেট টাচপয়েন্ট, প্যান্ডেল-হপিং কিট এবং প্ল্যাটফর্মটির মাসকট স্প্রাইসি, যাকে কলকাতার বিভিন্ন প্যান্ডেলে দেখা গিয়েছিল।

বিরিয়ানি, কলকাতার আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সুস্বাদু খাবার, বন্ধু এবং পরিবারকে একত্রিত করেছে একটি ভরপেট খাবারের মাধ্যমে, যা থামস আপ -এর সাথে দারুণভাবে মানিয়ে গিয়েছিল এবং কলকাতা জুড়ে জনপ্রিয় বিরিয়ানি আউটলেটগুলির সাথে যুক্ত হয়ে এই ফুড মোমেন্টগুলির একটি অংশ হয়ে উঠেছিল।

কোকা-কোলা ইন্ডিয়া ও সাউথওয়েস্ট এশিয়ার ইন্টিগ্রেটেড অপারেশনস-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সন্দীপ বাজোরিয়া বলেন, “উৎসবের মরসুম প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে পালিত ঐতিহ্যের মাধ্যমে পরিবার ও সম্প্রদায়কে একত্রিত করে। উদযাপনের এই মুহূর্তগুলো আমাদের জন্য ভোক্তাদের সাথে সংযোগ স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা নিশ্চিত করে যে তারা উৎসব উপভোগ করার সময় সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকবেন। কোকা-কোলা ইন্ডিয়াতে, আমাদের লক্ষ্য হলো আমাদের বৈচিত্র্যময় পানীয় পোর্টফোলিওকে স্থানীয় অন্তর্দৃষ্টি এবং বিস্তৃত বিতরণ, খুচরা ও বোতলজাতকরণ ইকোসিস্টেমের সাথে আমাদের শক্তিশালী কার্যক্রমের সমন্বয় ঘটিয়ে এই সংযোগগুলোকে আরও গভীর করা।”

কিনলে তার ‘ফেস্টিভ্যালস অফ ট্রাস্ট’ উদ্যোগের মাধ্যমে সেইসব ঐতিহ্যবাহী ঢাকীদের স্বীকৃতি দিয়েছে, যারা উৎসবের মরসুমে সকলের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। এই উদ্যোগটি ঢাকী ও তাদের পরিবারকে একটি উদযাপনী সন্ধ্যায় একত্রিত করেছিল, যেখানে উৎসবকে সম্ভব করে তোলার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকার প্রতি সম্মান জানানো হয়।

মানুষের ভিড়ে ঠাসা বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে মিনিট মেইড এবং পাওয়ারএডের মতো ব্র্যান্ড ‘অন-দ্য-গো স্যাম্পলিং’, বা মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে পানীয়ের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়। যার ফলে উৎসব চলাকালীন তারা নিম্বু ফ্রেশ, মিক্সড ফ্রুট এবং অ্যাপেলের মতো তাদের পছন্দের পানীয়গুলি গ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছে। এই অভিজ্ঞতাগুলির মধ্যে দিয়ে, কোকা-কোলা ইন্ডিয়া মানুষের পুজো উদযাপনের বিভিন্ন পদ্ধতির একটি অংশ হয়ে উঠেছিল এবং পরিবার ও বন্ধুদের কাছে তাদের পানীয় পৌঁছে দিয়েছে, যখন তারা উৎসবের ঐতিহ্য, স্বাদ এবং আমেজ উপভোগ করতে একত্রিত হয়েছিল।