প্রবন্ধ

বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে শিশু অধিকার সুরক্ষা ও বিকাশে অঙ্গীকার

পূজা চৌধুরী, কলকাতাচাইল্ড রাইটস" বা শিশুর অধিকার কেবল আইনি শব্দগুচ্ছ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর বেঁচে থাকার এবং বিকাশের মৌলিক ভিত্তি। বর্তমান যুদ্ধবিগ্রহ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বিশ্বে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটি শিশু যাতে শোষণমুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে, তা নিশ্চিত করাই আধুনিক সভ্যতার অঙ্গীকার।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে ১৯৪৬ সালে যখন ইউনিসেফ (UNICEF) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন লক্ষ্য ছিল যুদ্ধোত্তর ইউরোপের শিশুদের রক্ষা করা। কিন্তু ২০২৬ সালের দাঁড়িয়ে আমরা দেখছি, গাজা থেকে ইউক্রেন কিংবা সুদানের মতো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শিশুরা আজও সবচেয়ে বেশি বিপন্ন। ১৯৫৯…
Read More
শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য: চার স্তম্ভের আলোকে জীবন ও সমাজ গঠন

শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য: চার স্তম্ভের আলোকে জীবন ও সমাজ গঠন

পূজা চৌধুরি, দমদম বর্তমান আধুনিক সভ্যতায় দাঁড়িয়ে শিক্ষার সংজ্ঞা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে গভীর ভাবনার অবকাশ রয়েছে। আজ শিক্ষা কেবল ডিগ্রি বা একটি ভালো চাকরির মাপকাঠিতে পর্যবসিত হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার আসল সার্থকতা কেবল বৈষয়িক উন্নতিতে নয়, বরং একজন মানুষকে পূর্ণাঙ্গ এবং আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মধ্যে নিহিত। ইউনেস্কোর ডেলরস কমিশনের প্রস্তাবিত শিক্ষার চারটি মূল স্তম্ভকে পাথেয় করে জীবন গড়ার এই পথটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নিচে এই চারটি স্তম্ভ এবং আপনার উল্লিখিত বিশেষ দিকগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:জানার জন্য শিক্ষাশিক্ষার এই প্রথম স্তম্ভটি কেবল পাঠ্যবইয়ের তথ্য মুখস্থ করার বিষয় নয়। এটি মূলত শেখার কৌশল আয়ত্ত করা। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে প্রতিদিন…
Read More
গিগ অর্থনীতি ও উত্তরবঙ্গের বাস্তবতা: সম্ভাবনা ও সঙ্কটের দোলাচল

গিগ অর্থনীতি ও উত্তরবঙ্গের বাস্তবতা: সম্ভাবনা ও সঙ্কটের দোলাচল

সাগ্নিক চক্রবর্ত্তী, ইতিহাস গবেষক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির পরিধিতে এক নতুন কর্মসংস্থানের ধারণা দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, যার নাম গিগ অর্থনীতি। গিগ অর্থনীতি বলতে এমন এক শ্রমব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে স্থায়ী চাকরির পরিবর্তে অল্প সময়ের জন্য, নির্দিষ্ট কাজের বিনিময়ে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপের মাধ্যমে আয় করা হয়। এখানে কর্মী ও নিয়োগকর্তার সম্পর্ক স্থায়ী নয়, বরং কাজভিত্তিক বা প্রকল্পভিত্তিক। উবার, র‍্যাপিডো, জোম্যাটো, সুইগি, অ্যামাজন, আপওয়ার্ক, ফাইভার প্রভৃতি সংস্থা বা প্ল্যাটফর্ম এই ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। একবিংশ শতাব্দীর তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে এই গিগ মডেল কর্মসংস্থানের পরিধি বাড়ালেও, এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ক্রমশ গভীর হয়ে উঠছে। উত্তরবঙ্গের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ঐতিহ্যগতভাবে এ অঞ্চলের…
Read More
হিমজ্যোৎস্নায় বনবিবি

হিমজ্যোৎস্নায় বনবিবি

হিমজ্যোৎস্নায় বনবিবি শাশ্বত বোস নতুন বর্ষার জলভরা মেঘের মিনারে যেন চাপা পরে গিয়েছিল একাদশীর চাঁদটা। অমাবস্যা কিংবা পূর্ণিমার কোটা, একাদশীর রাতে চাঁদটার চরিত্র কি একই থাকে বরাবর? অন্ধকারটা ক্রমশ: জঙ্গলের ভেতর গাঢ় হচ্ছে যেন। বাঁধটার ওপর যে রাস্তা টা দিয়ে কিছুক্ষন আগে হাঁটছিলাম, কিছুদূর গেলে তার গা থেকে ঝর্ণার মতন নদীর জল বেরিয়ে ওপর পাশে একটা খাঁড়ির মুখ তৈরী করেছে। চাঁদের আলো মাঝে মাঝে মোলায়েম কাঁদার ওপর পরে মোমের চাদরে লিথিয়াম কুচি ছড়িয়ে থাকার ভ্রম হচ্ছে। শুক্লা একাদশীর চাঁদের এখন ভরা মাস, কোটালের জল নেমে যাচ্ছে একটু একটু করে। ক্ষমাহীন ক্রূরতার সাক্ষী হয়ে চরাচর জুড়ে ফুটে উঠছে কাঁকড়া গাছের ভোঁতা…
Read More

ভূত যজ্ঞ

(অমিতাভ চক্রবর্তী) অনিমেষ চক্রবর্তী জাঁদরেল মানুষ। জাঁদরেল শব্দটা এসেছে জেনারেল থেকে। সংসারে জেনারেল সুলভ আচার আচরণ দেখানোর থেকে জাঁদরেল হওয়া ভালো। সেই জাঁদরেল চক্রবর্তীবাবুর ঘরে বিড়ালের আনাগোনা। সৌজন্যে তার স্ত্রী। এই হ্যাট হ্যাট… যা পালা…..ভাগ…. এইসব শব্দ অনিমেষ চক্রবর্তীর মুখ থেকে বেরিয়ে আসে। প্রতিদিন বাজার থেকে এই অভাগা প্রাণীগুলোর জন্য মাছ আনতে তিনি কিন্তু ভোলেন না। কোভিড পরিস্থিতিতে যখন ব্যবসা টলোমলো, কখনো এই উৎপটাংদের জন্য মাছ বা মাংস আনতে তিনি ভোলেননি। কিন্তু ঘরে ? নৈব নৈবচ: বিড়ালের হাজারো নাম। কুকুর তিনটি। আবার বলতে বাধ্য হচ্ছি সৌজন্যে অনিমেষবাবুর স্ত্রী এবং কন্যাও বটে। সুতরাং তিনি মাইনোরিটি। একবার যখন ব্যবসা খারাপ হলো অনিমেষবাবুর…
Read More
উজান

উজান

উজান ( বিকে নার্জিনারি) উলু খেড়ের খড় দিয়ে তৈরি একটি গৃহ। যা আজ লুপ্তপ্রায় , তবে বেশ কিছু জাগায় এর দেখা মেলে। দক্ষিণ বঙ্গে ধানের খড় দিয়ে তৈরি হয় গৃহ বা দোকান যাই বলো না কেন কিন্তু আমাদের উওর বঙ্গে ধানের খড় ব্যবহার না করে উলু খেড় বা কাশফুলের খেড় দিয়ে তৈরি করা হয়। আমাদের এখানে "খড় " কে স্থানীয় ভাষায় ' খেড় 'বলি, "উলু খড়" কে বলি ' ইলুয়া খেড়' আর "কাশবন" কে বলি 'কাশিয়া '। এটা আমাদের এখানকার স্থানীয় ভাষা যা জনমানসে প্রচলিত। অন্যদিকে বোড়ো, রাভা, নেপালি, আদিবাসী সমাজে বিভিন্ন নামে পরিচিত। ইলুয়া খেড় দিয়ে ঘড় বা গৃহ…
Read More
ঘুম

ঘুম

আপনি কি ঘুমিয়েই জাগেন না জেগে ঘুমোন ? আমাদের ঘুমের অভ্যাস কি কৃত্রিম  ? ব্যাসদেবের গীতার সাথে আধুনিক মলডোভায় জন্ম নেওয়া বিজ্ঞানী ক্লিটম্যান-এর গোপন সূত্র কি ? পরীক্ষার আগের রাতে কি রাত জেগে পড়লে ভালো নাকি ঘুমোলে ভালো ? এসব জটিল প্রশ্ন। ছাড়ুন তো জটিলতা! একটা নিপাট সহজ প্রশ্ন করি আপনার সকাল কিসে মধুর হয় ? ধোঁয়া ওঠা দার্জিলিং-চা এ? নাকি ফ্লুরিজ এর কেক এ? আমার অবশ্য সকাল ভালো হওয়ার প্রধান কারণ-  আগের রাতের ভালো ঘুম।  শুধু আমার নয় অনেকেরই তাই। প্রতি রাতে একই রকম ভালো ঘুম যদিও বিলাসিতা।  মেলা ভার। তবুও আশা তো থাকে। এদিকে ঘুমহীনতার আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান ঘুম…
Read More
অমৃত মহোৎসব

অমৃত মহোৎসব

বিরক্তি উগড়ে দিয়ে টিভির ভ্রষ্টাচার-পাঁচালী বন্ধ করে দেয় অচিন্ত্য। মুহূর্তে দশ বছরের পুরনো পোর্টেবল টিভিটার মুখ ঢেকে যায় অন্ধকারে। কালো টিভি স্ক্রিনের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে থাকতে থাকতে অচিন্ত্যর যেন ঘোর লাগে। মনে হয় ঐ নিকষ অন্ধকার যেন টিভির পর্দায় নয় সমস্ত পারিপার্শ্বিক জুড়ে নেমে এসেছে। পুরো সমাজটাই যেন পচে যাওয়া সিস্টেম,ঘূণে খেয়ে ফেলা মূল্যবোধ, আদর্শ, নীতিহীন রাজনীতির চরম পরাকাষ্ঠা সমেত টাইটানিক জাহাজের মত অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে। নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে কোথাও যেন একবিন্দু আশার আলো নেই। সেই গানের লাইনটা হঠাৎ মনে পড়ে যায় অচিন্ত্যর " নাই, নাই এ আঁধার থেকে ফেরার পথ নাই..."। সত্যিই কী সব আলো মুছে গেছে! আলোয় ফেরার কোনও…
Read More
শিক্ষা কাঁদে ব্যবসা-ফাঁদে

শিক্ষা কাঁদে ব্যবসা-ফাঁদে

নাম - ডাক হলে দায়িত্ব ও বাড়ে l বিশেষত শিক্ষার সাথে যুক্ত হয়ে যাঁরা কাজ বা অর্থ উপার্জন করেন নানান কৌশলে, সেখানে রোজগারের পাশাপাশি সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালনটাও জরুরী l নাহলে শুধুই চোখে পরে শিক্ষা-ব্যবসার নগ্ন চিত্রটা l শিক্ষা নিয়ে নানা ভাবে নানা স্তরে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা চলছে - শিক্ষিত সমাজ কুলেই l কিন্তু শিক্ষা- ব্যবসাটি অশিক্ষিত হাতে পড়লে সে আরো মারাত্মক l শিক্ষা নিজেই তখন রুগ্ন ও ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে শুধুই অশিক্ষা ছড়াতে থাকে, নীচের ছবি বা ঘটনাটি তারই একটা উদাহরণ মাত্র l একটি অতি নামী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সংস্থা নাকি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন Spoken English এর প্রশিক্ষণ দিতেও l…
Read More
সার্কাসের হাতি

সার্কাসের হাতি

সেসব দিনে পুজোর পর থেকেই ডুয়ার্সের মফস্বলগুলিতে সার্কাসের তাঁবু পড়তো।বিশাল এলাকা জুড়ে সেই তাঁবু আর সন্ধ্যে হলেই সেখানকার সার্চলাইটটা মাথার ওপর চক্কর দিতে থাকতো।সারারাত ধরে বাঘ সিংহের হুঙ্কারে মুহুর্মুহু কেঁপে কেঁপে উঠতাম আমরা ছোটরা। গুটিসুটি মেরে ঢুকে পড়তাম লেপ কম্বলের ভেতর। বাড়ির বড়রা বলতো কথা না শুনলেই কিন্তু এক্ষুণি তারা চলে আসবে। চারিদিকে বেশ একটা সাড়া পড়ে যেতো সেসময়। আত্মীয়রা আসতো বাড়িতে। সার্কাস তো একাধিক দিন দেখতে যাওয়া হতোই। আর প্রায় সন্ধ্যেতেই বাড়ির বড়দের সাথে যাওয়া হতো সার্কাস ঘিরে যে মেলা বসে যেতো সেখানে। তো এই সার্কাসের হাতিদেরকে নিয়ে তাদের মাহুতরা দিনের বেলা বেরুতো খাওয়াতে। যেখানে যা পায়।হাতি চলতে চলতে…
Read More
নুন ( শেষ পর্ব )

নুন ( শেষ পর্ব )

যে কমোডিটির এত বড় শক্তি সেই কমোডিটি যদি রান্নাঘরে এসে আমাদের খাবারের পাতে ঢুকে পড়ে তাহলে আমাদের শরীরে কি বিপ্লব হতে পারে ভেবে দেখেছেন? আমাদের শরীরে লবণ এক অত্যন্ত মূল্যবান ভারসাম্যে থাকে। বেশি হলে প্রাণ যাবে আর কম হলেও তাই।  দুটোতেই হার্ট বন্ধ হয়ে যায়। হঠাৎ লবণের ওঠা নামায় স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে ব্রেনেরও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আমার সিনিয়র ছিল মহুয়াদি।  আমরা বলি মা-জননী। এত মায়ার মন তাঁর। গাইনি ডিপার্টমেন্টে কেউ মিষ্টি দিয়ে গেলে ভিসিটিং প্রফেসর থেকে শুরু করে বাচ্চা ডাক্তার সবাই পেতো সেই মিষ্টি। সবাই সমান, হয়তো চার ভাগের এক ভাগ, কিন্তু পেত।  মহুয়াদির কল্যাণে। প্রায় বছর কুড়ি আগে, …
Read More
নুন

নুন

কিন্তু শক খেলাম ২০০২ সালে। দু মানুষ উঁচু আর তিন মানুষ চওড়া। কিলোমিটার হিসেবে লম্বায় প্রায় কলকাতা থেকে আগ্রা। পুরোটাই ঘন কাঁটাগাছের বেড়া। যে কাঁটাগাছের বেড়া তৈরি করতে ব্যয় হয়েছিল অনেক পরিশ্রম। ১৮৬৯ সালে শুধু দেড় হাজার টন কাঁটাগাছ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে গিয়ে এই বেড়া তৈরি করা হয়েছে । কয়েক হাজার সেপাই অতন্দ্র প্রহরায় রয়েছে যাতে এই কাঁটাগাছের বেড়া পেরিয়ে কেউ একশো গ্রাম লবণও এদিক থেকে ওদিকে না নিয়ে যেতে পারে। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে তো? দাঁড়ান, দাঁড়ান! ব্রিটিশ শোষণের গল্প কি শেষ হওয়ার? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং কলোনিয়াল ব্রিটিশ গভর্নমেন্টের  তৈরি এই গ্রেট হেজ অফ ইন্ডিয়া (great…
Read More
নুন(পর্ব ২ )

নুন(পর্ব ২ )

কিন্তু শক খেলাম ২০০২ সালে। দু মানুষ উঁচু আর তিন মানুষ চওড়া। কিলোমিটার হিসেবে লম্বায় প্রায় কলকাতা থেকে আগ্রা। পুরোটাই ঘন কাঁটাগাছের বেড়া। যে কাঁটাগাছের বেড়া তৈরি করতে ব্যয় হয়েছিল অনেক পরিশ্রম। ১৮৬৯ সালে শুধু দেড় হাজার টন কাঁটাগাছ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে গিয়ে এই বেড়া তৈরি করা হয়েছে । কয়েক হাজার সেপাই অতন্দ্র প্রহরায় রয়েছে যাতে এই কাঁটাগাছের বেড়া পেরিয়ে কেউ একশো গ্রাম লবণও এদিক থেকে ওদিকে না নিয়ে যেতে পারে। অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে তো? দাঁড়ান, দাঁড়ান! ব্রিটিশ শোষণের গল্প কি শেষ হওয়ার? ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং কলোনিয়াল ব্রিটিশ গভর্নমেন্টের  তৈরি এই গ্রেট হেজ অফ ইন্ডিয়া (great…
Read More
নুন (প্রথম পর্ব)

নুন (প্রথম পর্ব)

বলুন দেখি, ভারত ভাগ কবে প্রথম হয়েছিল ? জানি, আপনি হৈ হৈ করে বলে উঠবেন - ১৯৪৭ এ! উঁহু! যদি বলি ১৮২৩, খুব অবাক হবেন, না ? দুদিকের ডানা কাটা নয়, পাকিস্তান বাংলাদেশ ছেঁটে ফেলা নয়, আজকের ভারতের বুক চিরে দেওয়া হয়েছিল কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে । উত্তর থেকে দক্ষিণ! যাতে এদিক থেকে ওদিক একটা জিনিস না যেতে পারে কি সেই জিনিস ? নুন, হ্যাঁ আমাদের জীবনের অন্যতম অপরিহার্য উপাদান, লবণ! আজকে যে লবণ আপনি পাড়ার মুদি দোকান থেকে আনেন সে লবণের প্রতিটি গুঁড়োয় মিশে আছে রোমহর্ষক ইতিহাস। চীনের প্রাচীর থেকে শুরু করে ফ্রেঞ্চ রেভোলুশন। গুপ্ত সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে ব্রিটিশ…
Read More