মোনালিসা ও কিছু অজানা তথ্য

মোনালিসা ও কিছু অজানা তথ্য

বিখ্যাত চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে এই রহস্যময় চিত্রটি আঁকেন। প্রায় চারবছর লেগেছিল তাঁর এই ছবিটি আঁকতে। ‘মোনালিসা’ ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, মোনালিসার এই চিত্রটি এতো ব্যয়বহুল হওয়ার নেপথ্যে কারণ কী? এই রহস্যের সমাধান করা কিন্তু আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়ে ওঠেনি।অনেকের মতেই তার আঁকা বিখ্যাত এই চিত্র “মোনালিসা” ছিল ফ্লোরেন্সের তৎকালীন একজন সিল্ক ব্যবসায়ীর স্ত্রী লিসা গেরারদিনের পোর্ট্রেট। আবার অনেকেই মনে করেন লিওনার্দো তাঁর কল্পনা থেকেই এই ছবিটি এঁকেছিলেন। পূর্ণভাবে রহস্যে ঘেরা এই মোনালিসার চিত্রটি। ছবিটি বিভিন্ন দিক থেকে দেখলে বিভিন্ন রকম মনে হয়।দূর থেকে চিত্রটি দেখলে মনে হয়…
Read More
এই নিরালায়      

এই নিরালায়      

"আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে…" অতীন্দ্রিয় এক সুখ অথবা নির্ভুল বেদনার পূর্ণ বিষভান্ড মানুষের মনের ক্ষেত্রভূমিতে জেগে ওঠে প্রতিদিনের সংসারে l মনের স্তরে স্তরে মেঘের চাদর ছিঁড়ে জ্যোৎস্না জেগে ওঠে অবলীলায় lদুর্বল মানুষের চেতনার কানায় কানায় মস্ত বড় মহান ভুল ঠিক তখনই হয় l যেহেতু সেই অপূর্ব আলোয় মায়াবীমনে সত্যের বোধ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, ঠিক তখন সকলেই ছোটে পূর্ণ উদ্যমে সেই মায়াবী জ্যোৎস্নারাতের বনে l সে এক অলীক বন, মিথ্যের অপূর্ব রূপময় অযোগ্য এক মায়ার ছায়া ফেলে ঘিরে ধরে দুর্বল মনকে l সেই জ্যোৎস্নাবনেই লুকিয়ে থাকে মৃত্যুর ব্যথা, জীবনের অনাদর, প্রাচুর্যশূন্য আত্মার কান্না l কেবলই নির্বুদ্ধিতায় ভোগের উপচার সংগ্রহ করে…
Read More
পেরেম পত্তর

পেরেম পত্তর

সে তখন একটা বয়েস ছিল।তখন সবারই একটা পেরেম -পেরেম ভাব আসে মনে।দুনিয়াটাকে বেশ রঙীন মনে হয়।আমারও মনে হচ্ছে।ইস্কুলের বান্ধবীরা লুকিয়ে খাতার ভেতর পেরেম পত্তর চালাচালি করছে।সাইকেলে চড়ে রোমিওরা ছুটির সময় গেটের বাইরে লাইন দিচ্ছে।কৃষ্ণচূড়া গাছ থেকে লাল ফুলে- ফুলে রাস্তাটা ঢাকা।রোমিওরা কেমন পেরেমপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকায় আর জুলিয়েটরা তাদের হাত ধরে ঐ কৃষ্ণচূড়া ফুলে ছাওয়া পথ মাড়িয়ে বিকেলের ছায়া-ছায়া রোদে হাসতে হাসতে অনেক দূরে মিলিয়ে যায়। "কোথায় যাচ্ছিস রে?" প্রশ্ন করলেই গম্ভীর উত্তর মিলতো কোচিং এ পড়া আছে।কোন সেই অমরাবতী?সেখানে কি এমন অমৃতময় পড়া হয় যে এমন করে চখাচখির মতো হাঁটতে হয়?খুব রাগ হতো মাঝে- মাঝে।আমাদের নাকি বনেদী বাড়ী!এসব বাড়ীর ছেলেমেয়েরা…
Read More
অন্য শব্দ

অন্য শব্দ

আবে এই, ওঠ না !ওঠ, ওঠ !মস্করা হচ্ছে ?পেটে খোঁচা খেয়ে চমকে তাকাই!     ছোড়দা কে নিয়ে তো বড়ো লিখলি, আর বড়দা পুরো বাদ?    না মানে, আমতা আমতা করে বলি,ঠিক বুঝলাম না।কোন জায়গাটা বুঝলি না ?হাগু নিয়ে তো পিসির সাথে বেজায় গল্প করলি,আর হাগুর বড়দা পাদু কে  নিয়ে তো কিছুই বল্লি না!    না মানে ওই আর কি, লিখবো ভেবেছিলাম কিন্তু …    শোন, ৩৫ কোটিবার পায়খানা নিয়ে সাহিত্য চর্চা হয়েছে কিন্তু আমাকে নিয়ে তোদের লেখারই সময় হয় না।     টিনের চেয়ার খড় খড় করে টেনে বসলো মুশকো স্যান্ডো গেঞ্জি!আমিও বসতে যাচ্ছিলাম সামনের চেয়ারে,তর্জনী তুলে বললো একদম বসবি না, দাঁড়িয়ে থাক!    তুই নাকি ৬-৮ ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে সার্জারি করিস…
Read More
জীবনানন্দ দাশ : বাংলা সাহিত্যের শুদ্ধতম কবির নিভৃতে থেকে যাওয়ার গল্প।

জীবনানন্দ দাশ : বাংলা সাহিত্যের শুদ্ধতম কবির নিভৃতে থেকে যাওয়ার গল্প।

১৯২৯ সালের ঘটনা, মার্কিন মুল্লুকের শেয়ার বাজারে ধ্বস নেমেছে। সারা বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে তার ব্যাপক প্রভাব পড়ে। ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় উপমহাদেশের অর্থনীতিও এই মহামন্দার হাত থেকে রেহাই পায়নি। কলকাতা সহ পুরো বাংলা জুড়ে যেন এই মহামন্দার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে। পাট আর চায়ের মতো শিল্পের উপর ভর করে বাংলার অর্থনীতি যখন একটু একটু করে দাঁড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই এমন এক অর্থনৈতিক মন্দার আগমন। বাংলা জুড়ে শুরু হয় কর্মী ছাটাই। পথে পথে বেকার আর কর্মহীনের হতাশা যেন ভারি করে তুলেছিল কলকাতার বাতাস। ইংরেজি সাহিত্যের তরুণ গ্র্যাজুয়েট জীবনানন্দেরও চাকরি নেই। দিল্লীর রামযশ কলেজের চাকরি ছেড়ে দিয়ে বেকায়দায় পড়ে যাওয়া তরুণের কবিতার ছন্দে ছন্দে তখন কেবলই…
Read More
গ্রামের নাম ২৮ মাইল 

গ্রামের নাম ২৮ মাইল 

পূর্ব ডুয়ার্সের কথা ভাবলেই ২৮ মাইল বনগ্রামের কথা মনে পড়ে যায় ।  চারিদিকে নিবিড় ঘন অরণ‍্য, সেখানে সবুজের কত শেড , অরিন্দম দাদা হিমশিম খেয়ে যেত সেই শেড তুলিতে ধরতে  । হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় নীল পাহাড় । শীতকালে গোটা গ্রাম ভরে যায় হলুদ সরষে খেতের ঢেউয়ে  । সরষেখেতের মাঝে মাঝে কিছু টংঘরের সোভা কখনও ভোলা যায় না ।                   ছবির মতো সুন্দর এই গ্রামের নাম ২৮ মাইল । গ্রামের এই অদ্ভূত নামে কৌতুক বোধ করলেও পরে জানতে পারবেন রাজধানী কোচবিহার থেকে এর দূরত্বের কথা।        এই গ্রামে থাকা খাওয়ার…
Read More
বাইরের বিকেল

বাইরের বিকেল

সকাল থেকে এমনিতেই মুড অফ ছিল। কাল সরস্বতী পুজো, অথচ বৃষ্টির সদয় দৃষ্টির কারণে কোনো কাজই গুছিয়ে আনা হয়নি। কালকের দিনটা নিয়ে সেই ছোট থেকেই উৎসাহিত থাকি, আর এবারেও তার ব্যতিক্রম নেই। কিন্তু কথায় আছে 'কপালের নাম কপালের নাম গোপাল'।      যাইহোক, বিকেলের দিকে যা থাকে কপালে বলে বেরিয়ে পরি। মা-কাকি দের বাজারে পাঠিয়ে, ভাই-আমি ভেনাস মোরের দিকে যাই মায়ের মূর্তির খোঁজে। বৃষ্টিতে ঠান্ডার ঠেলা উপভোগ করতে করতে শিলিগুড়ি হাসপাতালের রোডে এসে দাঁড়াই। দেখি, তখনও থাকি থাকি মূর্তি সাজানো রয়েছে রাস্তার পাশে।        দেখে কিছুটা অবাকই হয়েছিলাম, এতক্ষণে মূর্তির সংখ্যা অনেকটাই কমে আসার কথা। পছন্দসই মূর্তি বোধহয় পাবনা এই ভাবনা…
Read More
ধনী ও দরিদ্র       

ধনী ও দরিদ্র       

সমাজের চোখে গরীব আরও গরীব হলে এবং গরীবের গরীব হয়ে ভয়ংকর বংশ বিস্তারিত হলে কষ্টের সীমা থাকে না। অন্যদিকে সামান্য কয়জন বিপুল ধনী যারা হয়ে উঠলো, তারা কী করে ধনী হলো অথবা সেই ধনীদের পূর্বপুরুষ, মাত্র এক আনা পুঁজি নিয়ে ধনী হওয়ার স্বপ্ন,সাহস,ঝুঁকি নিয়ে যে নিরন্তর চেষ্টা করলো, সেই দিকে আরামের ও সম্মানের অবাক দৃষ্টি সমাজ কক্ষনো ফেলতে চায় না। কারণ গরীবের নির্ধন হওয়ার দুঃখের ঘটনার চেয়ে ধনীর তিল তিল করে ধন গড়ে তোলার দুরূহ প্রচেষ্টা নিয়ে ভাবা ও মেনে নেওয়া শান্তির নয়,সে অসহ্য এক বৈষম্যর ব্যাপার। সমাজ ভাবে ধনীর জন্ম হয় সৌভাগ্য ও অলৌকিক আশীর্বাদে, আর গরীবের জন্ম হয়…
Read More
প্রাচীন ভারতে বেশ্যা ও গণিকাদের কথা(৩)

প্রাচীন ভারতে বেশ্যা ও গণিকাদের কথা(৩)

  বিম্বিসার বৈশালীর বিখ্যাত নগরনটী আম্রপালির উদাহরণে রাজগৃহে একজন চৌষট্টি কলার পারদর্শিনী সরকারি গণিকা নিযুক্ত করেছিলেন। মূলসর্বাস্তিবাদীদের বিনয় থেকে জানা যায়, আম্রপালি ছিলেন মহানাম নামক জনৈক ধনী বৈশালীবাসীর কন্যা। তিনি ছিলেন অসামান্যা রূপবতী ও গুনবতী। এই কারণে লিচ্ছবিসভা তাঁকে স্ত্রী রত্ন বলে ঘোষণা করে এবং সিদ্ধান্ত করে যে এরকম নারী কোন একজনের স্ত্রী হতে পারে না এবং এই কারণেই তাঁকে সাধারণী হতে হবে। আম্রপালি তাতে রাজি হন। তবে পাঁচটি সুবিধা লাভের শর্তে। মগধ রাজ বিম্বিসার ছিলেন আম্রপালির গুণগ্রাহী।      গৌতম বুদ্ধ বৈশালীতে পদার্পণ করলে আম্রপালি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ও তাঁর উপদেশাবলী শ্রবণ করেন। এরপর আম্রপালি নিজগৃহে ভোজনের জন্য সপারিষদ বুদ্ধকে…
Read More
প্রাচীন ভারতে বেশ্যা ও গণিকাদের কথা (২)

প্রাচীন ভারতে বেশ্যা ও গণিকাদের কথা (২)

এই চৌষট্টি কলা বলতে যে তালিকা পাওয়া যায় তার অন্তর্ভুক্ত ছিল সঙ্গীত ও নৃত্য, তার সংগে অভিনয়, বিনা প্রস্তুতিতে মুখে মুখে কবিতা রচনা, এছাড়া সময় নিয়ে প্রস্তুত হয়ে কবিতা রচনা, ফুল দিয়ে ঘর সাজানো, মালা গাঁথা, সুগন্ধি দ্রব্য ও প্রসাদনের সামগ্রী প্রস্তুত করা, রন্ধন বিদ্যা, পোষাক-পরিচ্ছদ তৈরি করতে পারা, সূচী শিল্প, ডাকিনীবিদ্যা, ইন্দ্রজাল ও হস্ত কৌশল, ধাঁধা তৈরি করার ক্ষমতা,এমন     বাক্য রচনা, যা উচ্চারণ করতে গেলে আটকে যাবার বা গুলিয়ে যাবার সম্ভাবনা, অসিচালনা, লাঠি খেলা, ধনুর্বিদ্যা, ব্যায়াম কৌশল, ছুতোরের কাজ, স্থাপত্যবিদ্যা, তর্কশাস্ত্র, রসায়ন ও খনিজতত্ত্ব, উদ্যান রচনা, মোরগের লড়াই, তিতির পাখির লড়াই, ও ভেড়ার লড়াই শেখানো, টিয়া ও ময়নাকে কথা…
Read More
প্রাচীন ভারতে বেশ্যা ও গণিকাদের কথা (পর্ব- ১)

প্রাচীন ভারতে বেশ্যা ও গণিকাদের কথা (পর্ব- ১)

আমার এই প্রবন্ধের শুরুতে যে কথা ব'লে নিতে হ'তো সেটা বলা হয় নি। তবে হয়নি ব'লে না বলা কথা তো বাদ দিয়ে রাখা যায় না, তাই বিলম্বে হলেও বলছি। আমার ফেসবুক বন্ধুরা হয়তো ভাবতে পারেন লেখার মত অনেক বিষয় আছে তবে লেখক বেশ্যাদের নিয়ে পড়লেন কেন ? বিশেষ করে একটি অশ্লীল বিষয়কে নিয়ে! আমি বলব, আমার সব ফেসবুক বন্ধুরা না জানলেও অনেক বন্ধু আছেন যাঁদের সঙ্গে আমার ১০/২০ বছর বা তারও আগে থেকেই বন্ধুত্ব হয়েছে এবং এঁদের বেশির ভাগই আমার সাহিত্যিক বন্ধু। আমার এই সব বন্ধুরা আমার নাটক, গল্প, কবিতা, ভ্রমণ কাহিনী এবং প্রবন্ধের সংঙ্গে পরিচিত। এঁরা জানেন, আমি আমার…
Read More
ফেরারী মন

ফেরারী মন

রাধিকাপুর এক্সপ্রেসে কোলকাতা থেকে রায়গঞ্জ ফিরছি। ফেসবুক ঘাঁটতে ঘাঁটতে " অন্তহীন " ছবির 'ফেরারী মন ' গানটি শুনলাম।দারুন গান। ফেসবুকে গানটি শেয়ার করে দিলাম। সাথে সাথেই হঠাৎই এক পুরোনো বন্ধুর ফোন।বলছে "তুমি কি এবার 'মন' নিয়ে গবেষণা শুরু করেছ নাকি?" হাসলাম। ভাবলাম একবার বলি ' মন' নিয়ে গবেষণা তো অনন্ত, অসীম। এ তো শুধু আমার নয়! 'মনে'-র বিস্তার তো দিগন্ত জুড়ে । 'মন' নিয়ে সবাই আমরা গোচরে অগোচরে কতই না গবেষণা করে চলেছি । কতরকম Experiment ! তাই মনের রকমারি দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা যেতেই পারে। একটা প্রশ্ন মাঝে মাঝেই মাথায় উঁকি দেয় । 'মন' কে কি বাগে রাখা যায়…
Read More
মহাবীর মহারথী মহান  দাতা কর্ণ

মহাবীর মহারথী মহান  দাতা কর্ণ

মহাভারতে অন্যতম আকর্ষণীয় ও বর্ণময় চরিত্র হইলেন মহাবীর কর্ণ । পান্ডু পত্নী কুন্তী কুমারী থাকা কালীন কর্ণ জন্মগ্রহণ করেন । কুমারী কুন্তী দৈব প্রদত্ত একটি মন্ত্র প্রাপ্ত হন । সেই মন্ত্রের দ্বারা উনি বহু দেবতাকে আহ্বান করিতে পারিবেন । কুমারী কুন্তী ওই মন্ত্রের শক্তি পরীক্ষা করিবার উদ্দেশ্যে একদিন নির্জনে নদী তীরে সূর্যদেবকে আহ্বান করিলেন । সূর্যদেব সেই আমন্ত্রণে কুমারী কুন্তীর কর্নে প্রবেশ করিলেন  ও কুন্তী গর্ভবতী হইলেন । তৎপরে কবচ কুণ্ডলসহ একটি সুদর্শন পুত্র ভূমিষ্ট  হইল । কর্ণ হইতে ভূমিষ্ট হইবার হেতু তার নাম হয় কর্ণ । কুন্তীর পুত্র হইবার কারণে কর্ণের আর এক নাম কৌন্তেয় ।  কুমারী থাকা কালীন…
Read More
মুখোশের খেলা

মুখোশের খেলা

"সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র।" এই কথাটার সঙ্গে আমরা কম বেশী সকলেই পরিচিত।সুন্দর মুখ বলতে আমরা আপাতদৃষ্টিতে যা বুঝি তা কি আদৌ সুন্দর?অনেকেই বলবেন ঈশ্বর যার মুখশ্রী সুন্দর করে পাঠিয়েছেন তাকে সুন্দরই তো বলব।এখন প্রশ্ন হল মুখের শ্রী বলতে কি বোঝায়?আজকাল অতি আধুনিক যুগে নিমেষের মধ্যে যন্ত্রের সৌজন্যে সকলেই সুন্দর হয়ে ওঠে।সেই মেকী ছবি দেখতে- দেখতে বেশীরভাগ মানুষ একপ্রকার আত্মরতি লাভ করে।কেবল নিজেকে ভালবাসা বা নার্সিসিজম!নিজের সাজানো মিথ্যে মুখের মুখোশটা সকলের সামনে তুলে ধরার এক নেশা পেয়ে বসেছে যেন আমাদের!কিছুতেই আসল আমিটাকে,সত্যিকারের মুখটাকে কারো সামনে দেখাতে চাইছি না আমরা।কিন্তু এই মেকী মুখোশের আড়ালে সত্যিই কি মুখটাকে লুকিয়ে রাখা যায়? কেন আমরা…
Read More