সাশ্রয়ী ফুড ডেলিভারি অ্যাপ ‘টইং’ এখন খড়গপুর সহ ভারতের ৫৭টি শহরে উপলব্ধ। রেস্তোরাঁর মেনুর সমান বা তার চেয়েও কম দামে প্রতিদিন খাবার ও পানীয় সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এই অ্যাপে কোনও প্যাকেজিং চার্জ বা প্ল্যাটফর্ম ফি নেওয়া হয় না। এর ফলে ইউজাররা মাত্র ৯৯ টাকার কম দামে বিরিয়ানি ও বার্গারের মতো বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার অর্ডার করতে পারছেন। খড়গপুর ছাড়াও সম্প্রতি এটি জামশেদপুর, কটক, উদয়পুর ও অমৃতসরে চালু হয়েছে।
২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে পুনেকে প্রথম শহর হিসেবে নিয়ে যাত্রা শুরু করা টইং বর্তমানে দেশের আরও অনেক শহরে রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আগ্রা, ভদোদরা, গুয়াহাটি, নাশিক, নাগপুর, পাটনা, ঔরঙ্গাবাদ, ভোপাল, দিল্লি এনসিআর, মেরঠ, চণ্ডীগড়, আহমেদাবাদ, মুম্বাই, কলকাতা, জয়পুর, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, চেন্নাই, ইন্দোর, ভুবনেশ্বর, ইত্যাদি।
খড়গপুরে লাইভ হয়ে টইং অ্যাপটি নতুন চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বসু ইয়ামি ট্রিটস, নিউ বাওয়ারর্চি ব্রাদার্স, ওয়াও মোমো ও কেভেন্টার্স সহ শহরের একাধিক জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ এতে যুক্ত রয়েছে। এর ফলে ইউজাররা উত্তর ভারতীয়, দক্ষিণ ভারতীয়, চাইনিজ ও ফাস্ট-ফুড সহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার সাশ্রয়ী মূল্যে অর্ডার করার সুযোগ পাচ্ছেন।
টইং-এর চিফ বিজনেস অফিসার শ্রী সিদ্ধার্থ ভাকু বলেন, “টইং ফুড ডেলিভারিতে গ্রাহকদের একটি নতুন শ্রেণি তৈরি করছে এবং জেন জি, কলেজ পড়ুয়া ও ভ্যালু-সচেতন গ্রাহকদের টার্গেট করছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আমরা গুয়াহাটি, নাশিক, নাগপুর, আহমেদাবাদ, মুম্বই, দিল্লি এনসিআর, চণ্ডীগড়, জয়পুর, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু এবং হায়দ্রাবাদের মতো প্রধান শহর ও শিক্ষাগত কেন্দ্রগুলিতে সাশ্রয়ী মূল্যের ফুড ডেলিভারি অ্যাপ টয়িং চালু করেছি। খড়গপুরে টইং-এর লঞ্চ আমাদের ভ্যালু প্রপোজিশনের শক্তি এবং তরুণ গ্রাহকদের বাড়তে থাকা চাহিদা মেটাবে। এই শহরে প্রচুর সংখ্যক জেন জি এবং কলেজ পড়ুয়া রয়েছে, তাই এটি টইং-এর জন্য একটি নিখুঁত ক্ষেত্র।”
ভারতজুড়ে ৪.৫ মিলিয়নেরও বেশি ডাউনলোড এবং ৪.৫-এর একটি দুর্দান্ত রেটিং নিয়ে, ভ্যালু-ড্রিভেন ফুড ডেলিভারির ক্ষেত্রে টইং একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।
আরও জানতে ভিজিট করুন: https://www.linkedin.com/company/toingit/
এখন খড়গপুরে হাজির টইং
