VAHDAM®️ India TEACH ME®️ ডিজিটাল লার্নিং সেন্টারে SPARK-এর ২০ জন স্কলারকে সম্মাননা, ASCEND ও AIM-এর আবেদন শুরু

ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় হোমগ্রোন ব্র্যান্ড VAHDAM®️ India, যারা সারা বিশ্বে পৌঁছে দিচ্ছে ভারতের উৎকৃষ্ট চা ও মশলা, আজ তাদের শিক্ষা উদ্যোগ TEACH ME®️-এর পরবর্তী পর্যায়ের কথা ঘোষণা করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংস্থার ডিজিটাল লার্নিং সেন্টারস (ডিএলসি)-গুলিকে ধাপে ধাপে এআই-ভিত্তিক শিক্ষাকেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে। শিলিগুড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকরা বিশেষ প্রশিক্ষণ ও এআই ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও উন্নত ও আধুনিক শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে।

এদিনের এই অনুষ্ঠানে SPARK কর্মসূচির জন্য নির্বাচিত ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ‘ASCEND’ এবং উচ্চশিক্ষার বৃত্তির জন্য ‘AIM’ কর্মসূচির আবেদন প্রক্রিয়াও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। SPARK প্রোগ্রামের মাধ্যমে চা ও মশলা উৎপাদনকারী অঞ্চলের দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাগত সহায়তা, মেন্টরশিপ এবং ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া হবে। ASCEND প্রোগ্রামের আওতায় NEET, JEE, CAT, CLAT এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। Aakash ও CareerLauncher-এর মতো শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি ও স্টাডি মেটেরিয়ালের জন্য ১০০% পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারে। AIM প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হওয়া যোগ্য শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ₹৩ লক্ষ পর্যন্ত স্কলারশিপ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক শ্রী আনন্দময় বর্মন। তিনি এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন যে, তরুণ প্রজন্মকে মানসম্মত শিক্ষা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করা এই অঞ্চলের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি। VAHDAM®️ India-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বালা সারদা জানান যে, প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও সুদৃঢ় করবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সামাজিক উদ্যোগে কোম্পানিটি তাদের আয়ের অন্তত ১ শতাংশ শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় করে আসছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার শিশু এই সুবিধার আওতাভুক্ত হয়েছে। বিস্তারিত জানতে এবং আবেদন করতে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করার আহ্বান জানানো হয়েছে।