দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূলী শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের উচ্ছ্বাস পৌঁছেছে দিল্লিতেও। এবার সব কিছু বদলের পালা, বঙ্গ রাজনীতিতে বিরাট পরিবর্তন। একের পর এক কমিটিতেও এসেছে পরিবর্তন।
এবার ভেঙে ফেলা হল নৈহাটির বড়মা মন্দির কমিটি। পালাবদলের পর নৈহাটির নবনির্বাচিত বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের স্থান নেই বড়মা মন্দির কমিটিতে। পাশাপাশি ভিআইপি কালচার বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। ‘ধর্ম যার যার, বড়মা সবার’, এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে অনেকদিন ধরেই পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ উঠছিল মন্দির কমিটির বিরুদ্ধে।
ভিআইপিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা আর সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ, এমনই অভিযোগ বহুবার উঠেছে কমিটির বিরুদ্ধে। নবনির্বাচিত বিধায়ক আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি থাকবে না কমিটিতে। থাকবেন শুধু সেবায়েতরা। তবে নৈহাটির বাসিন্দাদের আধার কার্ড দেখালে আগে পুজো দেওয়ার যে ছাড়পত্র চালু ছিল তা এখনও থাকবে বলে জানিয়েছেন বিধায়ক।
