শ্রাবনের সকালে একঘেয়েমি দূর করতে সাবুদানা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ৫টি মুখরোচক জলখাবার।

শ্রাবণ মাস এলেই সাবুদানার নিয়মিত চাহিদা বেরে যায়। ব্রত পালনের ক্ষেত্রে অনেকেই সাবুদানা খেয়ে থাকে।তবে এর তেমন নিজস্ব স্বাদ নেই। ফলে অনেকেই এটি এড়িয়ে চলে।বানাতে জানলে শ্রাবণের সকালে জলখাবারে সাবুদানা দিয়ে  নানান মুখরোচক খাবার বানিয়ে নেওয়া যায়।  রইল ৫টি সহজ রেসিপি।

১। সাবুদানার স্মুদি – লাগবে ছোট কাপের অর্ধেক পরিমাণ ভিজিয়ে সেদ্ধ করা সাবুদানা, ১টি কলা, ১ কাপ  দুধ, কয়েকটি খেজুর, আর লাগবে এলাচ গুঁড়ো।সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ভরে  ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে বরফ দিয়ে তাতে  এই মিস্রন ডেলে দিলেই তৈরি।

২। সাবুদানার দোসা- লাগবে ১ কাপ ভেজানো সাবুদানা, ১টি সেদ্ধ আলু, অর্ধেক কাপ টক দই, কাঁচলঙ্কা, লবণ ও জিরে।সব উপকরণকে একসাথে ব্লেন্ড করে একটা ব্যাটার তৈরি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন এরপর গরম তাওয়ায় ঘি ঢেলে, তার উপর ব্যাটার দিয়ে দিন। দুই পাশ সেঁকে নিলেই তৈরি সাবুদানার দোসা।

৩. সাবুদানার খিচুড়ি- লাগবে ১ কাপ ভেজানো সাবুদানা,১টি সেদ্ধ করা আলু ,কাঁচালঙ্কা, জিরে, কারি পাতা, লবণ।পাত্রে তেল দিয়ে তাতে জিরে ও কারি পাতা ফোড়ন দিয়ে, সেদ্ধ আলু করা ভেজে নিন এরপর সাবুদানা, কাঁচালঙ্কা ও লবণ দিয়ে ৩–৪ মিনিট নাড়ুন।তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে গরম গরম সাবুদানার খিচুরি।

৪. সাবুদানার টিক্কি- এটি বানাতে লাগবে ১ কাপ ভেজানো সাবুদানা, ২টি সেদ্ধ করা আলু ,কাঁচালঙ্কা ও ধনেপাতা। সব উপকরণ মিশিয়ে হাত দিয়ে টিক্কির আকারের করে নিন। তাওয়ায় ঘি দিয়ে সেঁকে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে সাবুদানার টিকি। চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করে নিন।

৫. সাবুদানার উপমা – লাগবে ১ কাপ ভেজানো সাবুদানা, চিনেবাদাম, গোটা জিরে, কাঁচালঙ্কা ও ঘী। সাবুদানা  সারা রাত বা ঘণ্টা-কয়েক ভিজিয়ে নিন।পাত্রে ঘি গরম করে, তাতে জিরে ফোড়ন দিয়ে আলু ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে ভেজে নিন। সাবুদানা ও চিনাবাদাম দিয়ে  নারিয়ে নিলেই তৈরি সাবুদানার উপমা।