মাডরেক্স-এর আলোচনায় ক্রিপ্টোর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কলকাতার

প্রথাগত বিনিয়োগের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতার বিনিয়োগকারীরা এবার ক্রমশ ক্রিপ্টো, টোকেনাইজড গোল্ড আর মার্কিন স্টকের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। আর এরই প্রমাণ মিলল TradeIQ-তে, যেখানে ১,০০০-এরও বেশি ট্রেডার ও বিনিয়োগকারী এক ছাদের নিচে জড়ো হয়ে আরও সচেতন ও লাভজনক বিনিয়োগ ও ট্রেডিং-এর কৌশল শিখেছেন।একটি শীর্ষস্থানীয় ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ এবং টোকেনাইজড রিয়েল ওয়ার্ল্ড অ্যাসেট ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ‘মাডরেক্স’, ট্রেডআইকিউ-তে ট্রেডার এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে। এই আলোচনায় ক্রিপ্টো, টোকেনাইজড গোল্ড এবং মার্কিন স্টকের প্রতি তীব্র কৌতূহল প্রকাশ পেয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিরা ক্রিপ্টো ট্রেডিং ও বিনিয়োগ কীভাবে শুরু করবেন, সোনার জন্য ট্রেডিং কৌশল শিখবেন এবং একটি বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিওর অংশ হিসেবে কোন মার্কিন স্টকগুলোতে বিনিয়োগ করা উচিত তা জানতে আগ্রহী ছিলেন, যা একটিমাত্র প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেই করা সম্ভব।

এই ইভেন্টে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে কলকাতায় নতুন ট্রেডিং, বিনিয়োগ এবং বিশ্ববাজারে বৈচিত্র্য আনার সুযোগের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন গতানুগতিক ধারার বাইরে বেরিয়ে গ্লোবাল মার্কেটে ঢোকার চেষ্টা করছেন, আর তাই এই অঞ্চলে অপার সম্ভাবনা দেখছে মাডরেক্স। মুডরেক্সের গ্রোথ অ্যান্ড মার্কেটিং ডিরেক্টর সৌরভ ঝা বলেন, “কলকাতার বিনিয়োগকারীরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত ও কৌতূহলী। তারা বুঝতে পেরেছেন যে ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনা কতটা জরুরি। এখনকার বিনিয়োগকারীরা শুধু প্রচলিত উপায়ে সীমাবদ্ধ না থেকে ক্রিপ্টো, সোনা ও বিশ্ববাজারের শেয়ারে একযোগে পোর্টফোলিও গড়ার সহজ মাধ্যম খুঁজছেন। কলকাতার এই বিনিয়োগকারী সমাজের মধ্যে আমরা বিশাল সম্ভাবনা দেখছি এবং আগামীতে তাদের আরও কাছাকাছি যেতে চাই।”

ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের মাঝে ক্রিপ্টো নিয়ে নতুন উন্মাদনার সময় এই ইভেন্টটি হয়, যেখানে বিটকয়েন গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ র্যােলি করে ৮০,০০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছায়। এর জেরে মাডরেক্স সহ দেশের ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জগুলোতে গত সপ্তাহে স্পট ট্রেডিং ভলিউম ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে। ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের প্রধান লক্ষ্য ছিল সহজে ক্রিপ্টো, সোনা ও মার্কিন শেয়ারে বিনিয়োগ করে ঝুঁকি কমানো এবং একটি বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিও তৈরি করা। মূলত সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিশ্ববাজারের সুযোগগুলো ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের দরজায় পৌঁছে দিতেই মাডরেক্স এমন ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়ে চলেছে।