শিলিগুড়িতে একাধিক হোটেলে বিধায়ক ও মন্ত্রী শংকর ঘোষের আচমকা পরিদর্শন শিলিগুড়ি : শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী শংকর ঘোষ আজ শহরের একাধিক হোটেল, লজ এবং রেস্তোরাঁ চত্বরে আচমকা পরিদর্শনে যান। শহরের পর্যটন শিল্প, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিষেবার মান খতিয়ে দেখতেই তাঁর এই বিশেষ উদ্যোগ। পরিদর্শনের সময় তিনি হোটেলগুলির অভ্যন্তরীণ পরিচালনা ও পর্যটকদের জন্য উপলব্ধ সুযোগ-সুবিধা সশরীরে পরীক্ষা করে দেখেন।পরিষেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক পর্যালোচনা আজকের এই পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী শহরের প্রধান বাণিজ্যিক এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে অবস্থিত হোটেলগুলির পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন।
হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি যে সমস্ত বিষয়গুলির ওপর বিশেষ জোর দেন : নিরাপত্তা ও সিসিটিভি: হোটেলে আগত অতিথিদের রেজিস্টার এনট্রি, পরিচয়পত্র যাচাইকরণ এবং সিসিটিভি (CCTV) নজরদারি ব্যবস্থা ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করেন। অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা: দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সেফটি (Fire Safety) প্রটোকল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হয়। পরিচ্ছন্নতা ও পরিষেবা: ঘরের সার্বিক স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা এবং অতিথিদের দেওয়া পরিষেবার গুণমান পরিমাপ করেন।পর্যটন ও শহরের ভাবমূর্তি রক্ষাপরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানান, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে শিলিগুড়ির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক ও ব্যবসায়ী এই শহরে আসেন। ফলে শহরের হোটেলগুলির নিরাপত্তা ও আতিথেয়তার ওপর পুরো অঞ্চলের ভাবমূর্তি নির্ভর করে।
তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, কোনো হোটেল বা লজে আইনি অনিয়ম কিংবা নিরাপত্তা নিয়ে আপস সহ্য করা হবে না।প্রশাসনিক ও ব্যবসায়িক নির্দেশনাহোটেল মালিক ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের প্রতি তিনি বেশ কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করেন:১. নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা: বৈধ নথি ও সরকারি নিয়ম মেনেই হোটেল ব্যবসা চালাতে হবে।২. খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা: রেস্তোরাঁ ও রান্নাঘরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা এবং খাদ্যের গুণমান বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। ৩. সহযোগিতার আশ্বাস: ব্যবসায়ীদের কোনো যুক্তিসঙ্গত প্রশাসনিক সমস্যা থাকলে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
