ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ৩২-এর এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে পর্তুগাল নাটকীয়ভাবে প্রত্যাবর্তন করে ক্রোয়েশিয়াকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছে। এই ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, যদিও শেষ মুহূর্তে ভিএআর-এর হস্তক্ষেপে ক্রোয়েশিয়ার একটি সমতাসূচক গোল বাতিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইভান পেরিশিচের গোলে ক্রোয়েশিয়া এগিয়ে গেলেও, রোনালদো পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান এবং ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে নিজের প্রথম গোলটি করেন। ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর পথে, ঠিক তখনই বদলি খেলোয়াড় গনসালো রামোস অতিরিক্ত সময়ে হেডে গোল করে পর্তুগালকে রাউন্ড অফ ১৬-এ পৌঁছে দেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে একটি গোল করে ক্রোয়েশিয়া ভেবেছিল তারা ম্যাচটি বাঁচিয়ে দিয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়ে যায়, যা ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রতিবাদের জন্ম দেয়। এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তটিই নির্ণায়ক প্রমাণিত হয়, কারণ পর্তুগাল শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে এবং স্পেনের সাথে একটি ব্লকবাস্টার শেষ-১৬ ম্যাচের আয়োজন করে। ম্যাচটি ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ভরপুর এবং এতে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত দেখা যায়, যেখানে উভয় দলই গোলের অসংখ্য সুযোগ তৈরি করেছিল। পিছিয়ে পড়ার পরও পর্তুগাল দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে, অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া প্রাণচাঞ্চল্যকর লড়াই করেও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। এই নাটকীয় সমাপ্তি ফুটবলে ভিএআর এবং উন্নত প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে বিতর্ককে নতুন করে উস্কে দিয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট পর্বের ফলাফল নির্ধারণে এর ভূমিকা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে পর্তুগাল এখন এই কষ্টার্জিত জয়ের গতিকে কাজে লাগাতে চাইবে।
রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগাল প্রত্যাবর্তন করল, শেষ মুহূর্তের ভিএআর সিদ্ধান্তে ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ
