ভোট পর্ব শেষ হতেই ফের অপরাধ দমনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ।গত কয়েক মাসে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া একাধিক চুরির ঘটনার তদন্তে বড় সাফল্য পেয়েছে পুলিশ।শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে ডিসিপি রানা মুখার্জি একাধিক মামলায় গ্রেফতারি ও চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুটি বড় চুরির ঘটনা সামনে আসে। একটি ঘটনায় বিএসএফের একটি ক্যাম্প থেকে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম চুরি হয়। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারি মাসে সেবক রোডের মিলিটারি স্টেশন এলাকা থেকে একটি মোটরবাইক চুরি হয়ে যায়।
তদন্তে নেমে বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে পুলিশ ভক্তিনগর থানার কুখ্যাত চোর রাকেশ মিস্ত্রিকে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে।তদন্তের সময় অভিযুক্ত কিছুদিন গা ঢাকা দিলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।জেরার পর তার কাছ থেকে বিএসএফ ক্যাম্প থেকে চুরি যাওয়া সরঞ্জাম এবং চুরি হওয়া বাইক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এই ঘটনাকে তদন্তের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছে পুলিশ প্রশাসন। অন্যদিকে,আসিঘর এলাকায় একটি বাড়ি থেকে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা নগদ ও সোনার গয়না চুরির ঘটনাতেও দ্রুত তদন্ত চালিয়ে কুমার রায় নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে,তার কাছ থেকে সম্পূর্ণ টাকা উদ্ধার সম্ভব না হলেও প্রায় ৩লক্ষ ১৫হাজার টাকা এবং চুরি হওয়া সমস্ত সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়েছে।ডিসিপি (পূর্ব) রানা মুখার্জি জানান,তিনটি পৃথক ঘটনায় রাকেশ মিস্ত্রি ও কুমার রায়কে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি শহরে এখনও যেসব মামলা তদন্তাধীন রয়েছে,সেগুলির ক্ষেত্রেও জোরকদমে তদন্ত চলছে।খুব দ্রুতই বাকি অপরাধীদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
