২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন প্রচারাভিযান চালু করলো টাটা প্লে। সংস্থার জনপ্রিয় ‘লাইফ জিঙ্গালালা’ ট্যাগলাইনকে নতুনভাবে তুলে ধরে এই প্রচারে ভারতের বৈচিত্র্যময় সঙ্গীত ঐতিহ্য এবং দেশের কোটি কোটি পরিবারের সঙ্গে টাটা প্লের দীর্ঘ সম্পর্ককে তুলে ধরা হয়েছে।
ওগিলভি-র পরিকল্পনায় তৈরি এই প্রচারের মূল ভাবনা-“লাইফ যখন জিঙ্গালালা হয়”, তখন কেমন অনুভূতি হয়?” ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত ও সংস্কৃতির মাধ্যমে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকশিল্পী ও আঞ্চলিক শিল্পীদের এই প্রচারে যুক্ত করা হয়েছে।
মাটি বাণী-র তৈরি মূল সুর এবং কার্তিক শাহ-এর সঙ্গীত পরিচালনায় প্রচারটি তৈরি হয়েছে। এতে তামিল, তেলুগু, কন্নড়, বাংলা, অবধি ও গুজরাটি ভাষায় বিভিন্ন গান পরিবেশন করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবেশনায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ভাষা, লোকসঙ্গীত ও গল্প বলার ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে। বাংলার বিখ্যাত বাউল গায়ক ও খমক শিল্পী অশোক কৃষ্ণ এই প্রচারের অন্যতম শিল্পী। বিভিন্ন পরিবেশনে কিন্নরা, ঢোলক, হারমোনিয়াম, মশক্, ব্যাঞ্জো, জোড়িয়া পাওয়া, সুরান্দো, নাগাড়া ও গুম্মেটা-র মতো ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
‘লাইফ জিঙ্গালালা’ দীর্ঘদিন ধরেই উন্নত বিনোদনের আনন্দের সঙ্গে যুক্ত। আমির খান, অমিতাভ বচ্চন ও কঙ্গনা রানাউত-এর মতো তারকাদের প্রচারের মাধ্যমে এই ট্যাগলাইন জনপ্রিয় হয়েছিল। পরে টাটা স্কাই থেকে টাটা প্লে -এ ব্র্যান্ডের পরিবর্তনের সঙ্গে সইফ আলি খান, করিনা কাপুর খান, আর. মাধবন ও প্রিয়মণি-র প্রচারের মাধ্যমেও ট্যাগলাইনটি নতুনভাবে সামনে আসে। বছরের পর বছর ‘‘লাইফ জিঙ্গালালা” ট্যাগলাইনটি ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টাটা প্লের দর্শকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
