সাহিত্য

বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ

বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ

ইংরেজি সাহিত্যের প্রভাবে ভারতীয় অন্যান্য ভাষার সাহিত্যে যে নতুন ঘরানার সাহিত্য মূলত বিকাশ লাভ করেছিল তার মধ্যে উপন্যাসে ছিল প্রধানতম।বাংলা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের(১৮৩৮-৯৪) পর সম্পূর্ণ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল।ঐতিহাসিক উপন্যাসের আঙ্গিক থেকে বেরিয়ে বাংলা উপন্যাসের নতুন কায়াকে যিনি গঠন করেছিলেন তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(১৮৬১-১৯৪১)। সামাজিক উপন্যাসের সূক্ষ্মতর ও ব্যাপকতর ব্যবস্থার প্রবর্তন করে রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্য ও সমাজকে বা উপন্যাসের ইতিহাসকে পুনর্নির্মাণ করেছিলেন।বাংলা উপন্যাসের বাস্তবতার যে গভীরতর পরিণতি দেখা গিয়েছিল তার প্রথম সূচক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ।”রোমান্স ও ইতিহাস” এই দুটি বিষয়কে দূরে সরিয়ে বাস্তব জীবনের শক্ত জমির উপরে রবীন্দ্রনাথ নিজ স্বাতন্ত্র্যকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।উল্লেখ্য যে রবীন্দ্রনাথের পূর্বসূরী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য জীবনের শেষদিকে মানবচরিত্রের…
Read More
বিচ্ছেদ

বিচ্ছেদ

ব্যথায় কেঁপে উঠলে যাবতীয় ভুল ভেঙে যায়দূরে কোথাও কেউ তুলে আনে অসমাপ্ত সম্ভোগসৎভাবের পরেই আমাদের যোগাযোগ হয়েছিলঠিক এইভাবে যেভাবে দিন বড় হচ্ছে…
Read More
জল সংরক্ষণ নিয়ে কিছু কথা

জল সংরক্ষণ নিয়ে কিছু কথা

‘’সুজলাং সুফলাং মলয়জ শীতলাং শস্যশ্যামলাং মাতরম্৷৷’’ কবির মতো আমরা সবাই এই ধরাভূমিকে চিরসবুজ, সুফলা, কলরবে মুখরিত দেখতে চাই। কিন্তু তার যৌবনতাকে বজায় রাখার সুগঠিত প্রচেষ্টা করি না। ভগবানের অপরূপ উপহার ‘জল’। জলই জীবন। জল ছাড়া পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ কোনভাবেই সম্ভবপর নয়। পৃথিবীর আদিম প্রাণ জলেই সৃষ্টি হয়েছে। পৃথিবীর সব জীব জলের উপর নির্ভরশীল। এ পৃথিবীতে তিনভাগ জল, একভাগ স্থল। পাঁচ, পাঁচটি মহাসাগর, বেশ কয়েকটি সাগর-উপসাগর, অগণিত নদ-নদী, খাল-বিলের বিপুল জলরাশিভান্ডার থাকা সত্বেও, উন্নত-উন্নয়নশীল দেশগুলিতে কৃষিকাজ ও পানীয়-জলের সমস্যা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে, ধীরে-ধীরে তা ক্রমশ ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। আফ্রিকা, এশিয়ার মতো লাতিন আমেরিকার দেশগুলিও এর কবলে পড়ে এখন হাঁসফাঁস করছে।…
Read More
মোনালিসা ও কিছু অজানা তথ্য

মোনালিসা ও কিছু অজানা তথ্য

বিখ্যাত চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে এই রহস্যময় চিত্রটি আঁকেন। প্রায় চারবছর লেগেছিল তাঁর এই ছবিটি আঁকতে। ‘মোনালিসা’ ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, মোনালিসার এই চিত্রটি এতো ব্যয়বহুল হওয়ার নেপথ্যে কারণ কী? এই রহস্যের সমাধান করা কিন্তু আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়ে ওঠেনি।অনেকের মতেই তার আঁকা বিখ্যাত এই চিত্র “মোনালিসা” ছিল ফ্লোরেন্সের তৎকালীন একজন সিল্ক ব্যবসায়ীর স্ত্রী লিসা গেরারদিনের পোর্ট্রেট। আবার অনেকেই মনে করেন লিওনার্দো তাঁর কল্পনা থেকেই এই ছবিটি এঁকেছিলেন। পূর্ণভাবে রহস্যে ঘেরা এই মোনালিসার চিত্রটি। ছবিটি বিভিন্ন দিক থেকে দেখলে বিভিন্ন রকম মনে হয়।দূর থেকে চিত্রটি দেখলে মনে হয়…
Read More
পাপের ফল

পাপের ফল

আশ্বিন মাসের শেষ। দুর্গাপূজাও শেষ হয়ে গেছে সপ্তাহখানেক আগে। এ সময়টাতে যে এমন প্রবল ঝড়ের সাথে সাথে বজ্রপাতসহ অঝোর নয়নে বৃষ্টি হবে, তা নীরজের কল্পনাতীত ছিল। রাত সাড়ে এগারোটার সময় এক মুমুর্ষ পেশেন্টের প্রতিবেশীর ডাকে যখন ওর বাবা বললেন, “নীরজ, আজ তুমি এই পেশেন্টটার ট্রিটমেন্ট করে এসো।“এই তো সবে মেডিক্যালের পড়াশোনা শেষ করেছে সে। এত তাড়াতাড়ি বাবা যে তাকে পেশেন্ট দেখতে যেতে বলবেন, এটা সে আশা করেনি। তাই খানিকটা অবাকই হয়েছিল সে। তবুও বাবার কথার উপর নীরজ না বলতে পারেনি।সুবোধ তলাপাত্র এ চত্ত্বরের একমাত্র নাম করা হাতুড়ে ডাক্তার। বয়স ৬২। গ্রামের সবাই তাকে পাত্রবাবু বলেন, ভগবান মানেন। তারই একমাত্র ছেলে…
Read More
পথ

পথ

এখানেই আটকে যাওয়াএখানেই থেমে আসে শব্দএখানেই 'আমি' বেমানানএখানেই ভুলে যাচ্ছি কতদূর আমার একার হাঁটার কথা ছিল…
Read More
এই নিরালায়      

এই নিরালায়      

"আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে বনে…" অতীন্দ্রিয় এক সুখ অথবা নির্ভুল বেদনার পূর্ণ বিষভান্ড মানুষের মনের ক্ষেত্রভূমিতে জেগে ওঠে প্রতিদিনের সংসারে l মনের স্তরে স্তরে মেঘের চাদর ছিঁড়ে জ্যোৎস্না জেগে ওঠে অবলীলায় lদুর্বল মানুষের চেতনার কানায় কানায় মস্ত বড় মহান ভুল ঠিক তখনই হয় l যেহেতু সেই অপূর্ব আলোয় মায়াবীমনে সত্যের বোধ নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, ঠিক তখন সকলেই ছোটে পূর্ণ উদ্যমে সেই মায়াবী জ্যোৎস্নারাতের বনে l সে এক অলীক বন, মিথ্যের অপূর্ব রূপময় অযোগ্য এক মায়ার ছায়া ফেলে ঘিরে ধরে দুর্বল মনকে l সেই জ্যোৎস্নাবনেই লুকিয়ে থাকে মৃত্যুর ব্যথা, জীবনের অনাদর, প্রাচুর্যশূন্য আত্মার কান্না l কেবলই নির্বুদ্ধিতায় ভোগের উপচার সংগ্রহ করে…
Read More
তোমায় ভালোবেসে

তোমায় ভালোবেসে

সূর্য্য যখন ক্লাস নাইনে পড়ে, তখন প্রথম দেখা হয় কিরণের সাথে | সূর্য্যদের পাড়ায় নতুন বাড়ি কিনে এসেছিলেন কুশলবাবু | কিরণের বাবা কুশল সাহা কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের চাকরি করেন | একবার সরস্বতী পুজোর চাঁদা তুলতে গিয়ে প্রথম দেখা হয় সূর্যের সাথে কিরণের | ক্লাস টেনে পড়া এক কিশোরের মন সেদিনই সেই ক্ষনেই চুরি করে নেয় চোদ্দ পেরোনো সেই কিশোরী | তারপর রোজ স্কুল যাবার সময় বাস স্ট্যান্ডে দেখা হতো দুজনের | স্কুল টাইম টা যে দুজনেরই প্রায় এক সময় | কিরণের ওই সুন্দর উজ্জ্বল মুখটুকু দেখতে পেলে সূর্যের সারাদিনে যেন আর কিছু লাগে না | বন্ধু অংশুল বলতো, "এটা তোর…
Read More
ব্যর্থতার অভ্যাস

ব্যর্থতার অভ্যাস

আধার যত গভীর হয়ে আসে, মস্তিষ্কেহিজিবিজি কাটে সময়ের ভর্ৎসনাপাংশু মুখে কেপে কেপে ওঠেঅসুখ বুকের গোঙানি।রাতের তারাদের উজ্জ্বল হাসিকেকালো মেঘের বিষাক্ত হুমকি মুচড়ে ধরে।ছটফট করেও পথ খুঁজে পায় নাশীতল বৃষ্টির মোক্ষ দ্বার ।বারবার লড়াই বাধে জটিল পরিস্থিতির সূচালো মানসিকতা ও স্ব অস্তিত্ব রক্ষার, অথচ, জয়ী হয় রোজকার আত্মহনন।আর, শুষ্ক চোখ থেকে উদ্বাস্তুর মতো উবে যায়চিরকালের স্বপ্নের চাবিকাঠি।
Read More
ব্যর্থতার পথচারী আমি

ব্যর্থতার পথচারী আমি

অগাধ সমুদ্র মাঝে একফোঁটা জলবিন্দু আমিসময়ের অদম্য লহরে বয়ে চলেছিকিনারায় আছড়ে পড়ে পড়ে আজ বড় ক্লান্তঅথচ,দাঁড়াতে পারিনি।খুঁজে পাইনি পরিচিত হাতের স্পর্শবলতে পারি নিআমি পারবো। তোমরা পাশে থেকোআমি ঠিক পারবো । প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতায় বারংবার পিছয়ে পড়েছিআবার উঠেছি, হোচট খেয়েছিছিন্ন হয়েছে মনোবলের উচ্চশির ধ্বজাতবুও বলতে পারিনিআমি প্রচেষ্টায় বিশ্বাসী।কারণ,বলার স্থান নেইশোনার কেউ নেই।  ব্যর্থতার পথচারী আমিআজীবন চেয়েছি কেবল সেই সজীব আশ্রয়যাদের আলোয় চিনেছি পৃথিবীকেচেয়েছি কেবলতাদের ধনাত্মক উষ্ণ উৎসাহযার আশ্রয়ে বাঁচাতে চাইবে আমার আমি।
Read More
পেরেম পত্তর

পেরেম পত্তর

সে তখন একটা বয়েস ছিল।তখন সবারই একটা পেরেম -পেরেম ভাব আসে মনে।দুনিয়াটাকে বেশ রঙীন মনে হয়।আমারও মনে হচ্ছে।ইস্কুলের বান্ধবীরা লুকিয়ে খাতার ভেতর পেরেম পত্তর চালাচালি করছে।সাইকেলে চড়ে রোমিওরা ছুটির সময় গেটের বাইরে লাইন দিচ্ছে।কৃষ্ণচূড়া গাছ থেকে লাল ফুলে- ফুলে রাস্তাটা ঢাকা।রোমিওরা কেমন পেরেমপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকায় আর জুলিয়েটরা তাদের হাত ধরে ঐ কৃষ্ণচূড়া ফুলে ছাওয়া পথ মাড়িয়ে বিকেলের ছায়া-ছায়া রোদে হাসতে হাসতে অনেক দূরে মিলিয়ে যায়। "কোথায় যাচ্ছিস রে?" প্রশ্ন করলেই গম্ভীর উত্তর মিলতো কোচিং এ পড়া আছে।কোন সেই অমরাবতী?সেখানে কি এমন অমৃতময় পড়া হয় যে এমন করে চখাচখির মতো হাঁটতে হয়?খুব রাগ হতো মাঝে- মাঝে।আমাদের নাকি বনেদী বাড়ী!এসব বাড়ীর ছেলেমেয়েরা…
Read More
অভিমান

অভিমান

প্লেনে বসে চন্দার মনটা কখনো রাগে জ্বলে উঠছে, আবার কখনো দুঃখে কষ্টে যন্ত্রণায় বিদীর্ণ হচ্ছে !তারই ফাঁক দিয়ে মনের মধ্যে একপাশে গুটিয়ে  থাকা ভালোবাসার- কত আদরের স্মৃতি ফুলের মত সোহাগ বিছিয়ে দিচ্ছে। রাগ কষ্ট ভালোবাসার টুকরো টুকরো স্মৃতির ঢেউয়ে চন্দা অভির কাছ থেকে দূর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।অভি ছিল চন্দার ছোটবেলার বন্ধু । পাশাপাশি বাড়ি। একসঙ্গে খেলাধুলা করতে করতে স্কুলে যাওয়া, টিফিন ভাগ করে খাওয়া, খেলার সময় পার্টনার হওয়া, ক্রমে বেস্ট ফ্রেন্ড হওয়া দুজনে দুজনের । মজার কথা ,ক্লাসের যে কোনো পরীক্ষায় প্রথম ,দ্বিতীয় স্থানটা ওদেরই ছিল । তবে গোলাপের কাঁটার মতো একজন ছিল - সে তনিমা। সে কেবলই চেষ্টা…
Read More
শ্মশান থেকে বলছি

শ্মশান থেকে বলছি

সত্যির নিজস্ব অভিশাপ আছে, আদিম ও অন্ধকার। গুপ্তঘাতকের মতো অভিশাপ পিছু নেয়, আপ্রাণ ঢেকে রাখার চেষ্টা করি বাবার মুখাগ্নির সময় নেশা করেছিলাম খুব, আত্মদংশনের মুখোমুখি হবার আতঙ্কে। তবু, দারুণ মিথ্যের চটকে লোকসমক্ষে বলে বেরাই, সে রাতে আমার যাবতীয় কর্মকান্ড ছিল শোক ভুলতে চাওয়ার কারণে। সত্যির অন্ধকার ভয় আমাকে ধূর্ত হতে শেখাচ্ছে। অথচ, এখানে এলে কী করে যেন সমস্ত খোলশ খুলে পরে। দীর্ঘ যাতায়াতের কুঅভ্যেস থেকে জেনেছি, মানুষ পোড়া গন্ধ বাতাসে যেসব মুখ ভেসে আসে তাদের এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। সম্ভবত ধরা পড়ে যেতে আসি বারবার। সামান্য নাম উচ্চারণে যে বিষধর প্রেয়সীর সতিত্ব নষ্ট হবার খবর রটে বাজারে, তার ঝলসানো হৃদয়ের জন্য…
Read More
অন্য শব্দ

অন্য শব্দ

আবে এই, ওঠ না !ওঠ, ওঠ !মস্করা হচ্ছে ?পেটে খোঁচা খেয়ে চমকে তাকাই!     ছোড়দা কে নিয়ে তো বড়ো লিখলি, আর বড়দা পুরো বাদ?    না মানে, আমতা আমতা করে বলি,ঠিক বুঝলাম না।কোন জায়গাটা বুঝলি না ?হাগু নিয়ে তো পিসির সাথে বেজায় গল্প করলি,আর হাগুর বড়দা পাদু কে  নিয়ে তো কিছুই বল্লি না!    না মানে ওই আর কি, লিখবো ভেবেছিলাম কিন্তু …    শোন, ৩৫ কোটিবার পায়খানা নিয়ে সাহিত্য চর্চা হয়েছে কিন্তু আমাকে নিয়ে তোদের লেখারই সময় হয় না।     টিনের চেয়ার খড় খড় করে টেনে বসলো মুশকো স্যান্ডো গেঞ্জি!আমিও বসতে যাচ্ছিলাম সামনের চেয়ারে,তর্জনী তুলে বললো একদম বসবি না, দাঁড়িয়ে থাক!    তুই নাকি ৬-৮ ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে সার্জারি করিস…
Read More