চোখে সুরক্ষায় সাঁতারের আগে এই নিয়মগুলি মানুন

গরমের দিনে অনেকেই সুইমিং পুলে সাঁতার কেটে আনন্দ পান। এতে একদিকে যেমন আনন্দ রয়েছে তেমনি রয়েছে কিছু সমস্যাও। পুলের জলে থাকে ক্লোরিন। পাশাপাশি অন্য সাঁতারুদের ঘাম, প্রসাধনী ও বিভিন্ন অণুজীবও জলে মিশে গিয়ে চোখের ক্ষতি করতে পারে। ফলে সংক্রমণ, অ্যালার্জি, শুষ্কতা, জ্বালাভাব ইত্যাদি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সাঁতার কাটতে নামার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলা উচিত।

সুইমিং গগল্‌স পরতে হবে

চোখ সুরক্ষিত রাখতে ভালো মানের সুইমিং গগল্স পরতে হবে। এতে ক্লোরিনযুক্ত জল সরাসরি চোখে ঢুকতে পারে না এবং সংক্রমণের আশঙ্কাও কমে। খেয়াল রাখবেন, গগল্স যেন চোখের চারপাশে ঠিকভাবে ফিট করে, সে দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি খোলা আকাশের নীচে থাকা পুলে সাঁতার কাটলে অতিবেগনি রশ্মি থেকে চোখ বাঁচাতে ইউভি প্রটেকশনযুক্ত গগল্স ব্যবহার করা ভালো।

কনট্যাক্ট লেন্স খুলে রাখুন

কনট্যাক্ট লেন্স পরে কখনও সুইমিং পুলে নামা উচিত নয়। পুলের জলে থাকা জীবাণু লেন্সে আটকে গিয়ে চোখে সংক্রমণ ঘটতে পারে। বিশেষত ‘অ্যাকান্থামিবা কেরাটাইটিস’ নামে বিপজ্জনক সংক্রমণে কর্নিয়ার ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

পরিষ্কার জলে চোখ ধুতে হবে

সুইমিং পুলে নামার আগে পরিষ্কার জল দিয়ে চোখ ধুয়ে নিন। এতে চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং ক্লোরিনের প্রভাব কিছুটা কম হয়। প্রয়োজনে আই ড্রপও ব্যবহার করা যেতে পারে।

কোন লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?

সাঁতার কাটার পরে যদি চোখ লাল হয়ে যায়, অতিরিক্ত জল পড়ে, ব্যথা হয় বা দৃষ্টি ঝাপসা লাগে, তা হলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। এগুলি সংক্রমণ বা রাসায়নিকের প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।