কন্যা দিবস উপলক্ষে মা-মেয়ের সম্পর্কের এক অন্য দিক তুলে ধরেছে ক্লিনিক প্লাসের নতুন ছবি। ভারতীয় পরিবারে মায়েরা মেয়েদের আত্মবিশ্বাসী, স্বাধীন ও নিজের কথা বলতে শেখান। কিন্তু নিজেদের জীবনে অনেক সময় তাঁদের নীরবে মানিয়ে নিতে হয়। মায়ের এই ত্যাগ ও কষ্ট মেয়েরা বুঝতে পারে। সময়ের সঙ্গে সেই মেয়েই হয়ে ওঠে মায়ের সবচেয়ে বড় ভরসা।
একটি বই প্রকাশের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে ছবিটির গল্প। নিজের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত কবিতার বই প্রকাশ করেন এক লেখিকা। তাঁর লেখার অনুপ্রেরণা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি মেয়ে দিকে ইঙ্গিত করেন। এরপর গল্প ফিরে যায় মেয়ের ছোটবেলার একটি ঘটনায়। সে দুই বিনুনির বদলে একটি বিনুনি করতে চায়। এই ঘটনাকে গল্পের মূল ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে—আসল শক্তি মানুষের নিজের মধ্যেই থাকে।
মায়ের কঠিন দাম্পত্যজীবনে আশপাশের সবাই যখন তাঁকে মানিয়ে নিয়ে চলার পরামর্শ দেয়, তখন মেয়ে মায়ের না-বলা কথাগুলো বুঝতে পারে। পরিস্থিতি অন্যভাবে দেখতে এবং নিজের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে মেয়েই মাকে সাহস দেয়। শেষ পর্যন্ত নিজের শর্তে নতুন করে জীবন শুরু করেন মা। বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে তিনি মেয়েকেই নিজের সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হিসেবে স্বীকার করেন।
এইচইউএল-এর বিউটি অ্যান্ড ওয়েলবিইং বিভাগের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হরমন ধিলোঁ বলেন, “একজন মা তাঁর মেয়েকে শক্তিশালী, সহানুভূতিশীল ও স্বাধীন হতে শেখান। একদিন সেই শিক্ষাই মায়ের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ওঠে। এই ছবি সেই সুন্দর পরিবর্তনকে উদ্যাপন করে। ভারতের ১.৩ কোটি একক মায়ের প্রতি আমরা এই গল্পটি উৎসর্গ করছি। তাঁদের দৃঢ়তা শুধু মেয়েদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে না, বরং প্রমাণ ‘মাঁ কী মজবুরী নহীঁ, বেটী হোতী হ্যায় মাঁ কী মজবুতী”
মেয়েদের শক্তিশালী করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মায়েদের সঙ্গে ক্লিনিক প্লাসের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় এই প্রচারাভিযান তৈরি হয়েছে। কন্যা দিবসে ক্লিনিক প্লাস তুলে ধরেছে মা-মেয়ের সম্পর্কের এই পরিবর্তন—যে হাত একদিন মেয়েকে শক্ত হতে শিখিয়েছিল, আজ সেই মেয়েই মায়ের শক্তি ও ভরসা হয়ে উঠেছে। কখনও কখনও মা মেয়েকে যে শক্তি দেন, সেই শক্তিই আবার মায়ের কাছে ফিরে আসে।
