আদিত্য বিড়লা জুয়েলারির ব্র্যান্ড ‘ইন্দ্রিয়া’ প্রাকৃতিক হিরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিল্প খাতে এক অভিনব মাপকাঠি তৈরি করেছে। প্রথাগত ফোর-সি’স পদ্ধতির বাইরে গিয়ে, হিরের আলো প্রতিফলন ও প্রতিসরণের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এখানে হিরে বাছাই করা হয়। বাজারে উপলব্ধ প্রতি ৫টি প্রাকৃতিক হিরের মধ্যে মাত্র ১টি হিরে ইন্দ্রিয়ার এই কঠোর মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়।
বিশ্বের ৯০%-এর বেশি হিরে ভারতের সুরাট ও মুম্বইতে কাটা এবং পলিশ করা হলেও, দেশে হিরের গয়নার ব্যবহার এখনও ১৫%-এর নিচে। এই জায়গায় ইন্দ্রিয়া হিরের আসল সৌন্দর্য বা ঔজ্জ্বল্যের ওপর জোর দিচ্ছে। হিরের এই ঔজ্জ্বল্য মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ব্রিলিয়ান্স- হিরের উপরিভাগ থেকে প্রতিফলিত সাদা আলো, ফায়ার- আলোর বর্ণালীতে রঙিন আলোর বিচ্ছুরণ, সিন্টিলেশন- হিরের আন্দোলনের ফলে বিচ্ছুরিত আলোর ঝলকানি।
ক্রেতাদের জন্য এই অভিজ্ঞতা সহজ করতে ইন্দ্রিয়া দোকানে নিয়ে এসেছে ‘স্পার্কেলস্কোপ’ নামক একটি আধুনিক প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজেই হিরের ঔজ্জ্বল্য পরীক্ষা করতে পারবেন। এই উদ্ভাবন প্রসঙ্গে ইন্দ্রিয়ার সিইও সন্দীপ কোহলি বলেন, “দশক ধরে হিরের মূল্যায়ন ফোর-সি’স-এর ওপর ভিত্তি করে হয়েছে, কিন্তু ক্রেতারা আসলে সবচেয়ে উজ্জ্বল হিরেই পছন্দ করেন। ইন্দ্রিয়াতে আমরা হিরে মূল্যায়নের একটি ভিজিবল ও ইউজার-ফ্রেন্ডলি পদ্ধতি নিয়ে এসেছি।”
ব্র্যান্ডের সাপ্লাই চেইন প্রধান রাজেন্দ্রন গণপতি জানান, ক্রেতাদের সবচেয়ে উজ্জ্বল হিরেটি নিশ্চিত করতেই এই কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া চালানো হয়। ৩ দশকের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী ব্যাকিং-সহ ভারতীয় বাজারে আসা ইন্দ্রিয়া সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ব্র্যান্ড, যা মাত্র ২ বছরের কম সময়ে ৮০টিরও বেশি স্টোরের মাত্রা ছুঁয়েছে। অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারিকে নিয়ে করা নতুন ক্যাম্পেইন ‘স্পার্কল লাইক নো আদার’-এ ইন্দ্রিয়া ঐতিহ্য ও আধুনিক কারুকার্যের এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটিয়েছে
ইন্দ্রিয়া নিয়ে এল হিরে নির্বাচনের নতুন মাপকাঠি ‘স্পার্কেল লাইক নো আদার’
