ফ্যাটি লিভার হলে কী কী খাবেন? রইল ৫টি খাবারের সন্ধান

নতুন প্রজন্মের অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার প্রবণতা, কম কায়িক শ্রম, ওজন বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন বিপাকীয় সমস্যার কারণে ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। একসময় বিরল বলে বিবেচিত হলেও বর্তমানে এই রোগের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে।
চিকিৎসকদের মতে, ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত শরীরচর্চা ও ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আনা জরুরি। দুপুর বা রাতে মেপে খাওয়া হলেও সন্ধ্যায় ভাজাভুজি বা ফাস্ট ফুড খেতে ইচ্ছে হয় বৈকি। কিন্তু এই খাবারগুলি লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্য উপযোগী কিছু স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স

বাদাম ও বীজ: আখরোট, আমন্ড, সূর্যমুখীর বীজ, চিয়া বীজ ও তিসির বীজ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের ভালো উৎস। পরিমিত পরিমাণে এগুলি খেলে বিপাকক্রিয়া উন্নত হয় এবং শরীরের উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

পনির বা মোৎজারেলা চিজ: পরিমিত পরিমাণে পনির বা মোৎজারেলা দিয়ে তৈরি সাধারণ চিজ স্টিক স্ন্যাক্সের তালিকায় রাখা যেতে পারে। এতে থাকা প্রোটিন ও ক্যালশিয়াম দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত বা বেশি নুনযুক্ত চিজ এড়িয়ে চলাই ভালো।

অ্যাভোকাডো: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ অ্যাভোকাডো ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্য উপকারী। সামান্য নুন ও গোলমরিচ ছড়িয়ে খেলে ভালো লাগবে খেতে। শরীরের প্রদাহ কমাতেও দারুণ উপকারী এই ফল।

টক দই: টক দইয়ের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজ মিশিয়ে খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। এতে থাকা প্রোটিন ও প্রোবায়োটিক অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঘটায় এবং হজম ও বিপাকক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।

সেদ্ধ ডিম: উচ্চমানের প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস হিসেবে সেদ্ধ ডিমের জুড়ি মেলা ভার! তবে অতিরিক্ত পরিমাণে নয়, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডিম সেদ্ধ খাওয়া উচিত।