ব্যক্তিগত সম্পদে ৩০% বিনিয়োগের পরামর্শ রেনুকা রামনাথের

ভারতের প্রাইভেট বা বেসরকারি বাজার ক্রমশ ম্যাচিওর হয়ে ওঠায় বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওতে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কোটাক প্রাইভেট ব্যাংকিং-এর স্পেশাল থিংক ট্যাংক প্ল্যাটফর্ম ‘ট্যাক্ট’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘মাল্টিপল অল্টারনেট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও রেনুকা রামনাথ জানিয়েছেন যে, পরিশীলিত বিনিয়োগকারীরা তাদের সামগ্রিক ইক্যুইটি বরাদ্দের প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত প্রাইভেট অ্যাসেট-এ রাখতে পারেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এর অর্থ পাবলিক মার্কেটকে বাদ দেওয়া নয়, বরং ঝুঁকি ও আয়ের ওপর ভিত্তি করে পাবলিক ও প্রাইভেট উভয়ের সঙ্গে সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
রেনুকা রামনাথের মতে, প্রাইভেট ইক্যুইটি কেবল ভালো কোম্পানি চিনে বিনিয়োগ করার নাম নয়; এটি ব্যবসায়িক অংশীদার হয়ে কাজ করার প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “আমরা উদ্যোক্তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে স্ট্র্যাটেজি তৈরি করি এবং কোম্পানিকে যৌথভাবে গড়ে তুলি।” তাঁর মতে, প্রাইভেট ইক্যুইটি বিনিয়োগকারীরা ব্যবসা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তরলতা বা ক্যাশ তোলার সুযোগ না থাকার (ইল্ডিকুইডিটি) ঝুঁকি প্রসঙ্গে রেনুকা রামনাথ বলেন, বিনিয়োগকারীরা প্রায়শই তাঁদের যতটা ক্যাশ প্রয়োজন বলে মনে করেন, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক কম প্রয়োজন হয়। তাই এই দিকটিতে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের সঠিক ম্যানেজার নির্বাচন, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা বা ক্যাপিটাল অ্যালোকেশনের ওপর বেশি জোর দেওয়া উচিত।