স্বাদযুক্ত প্রোটিন অতীত, এবার পালা সুস্বাদু ও নোনতা খাবারের

ভারতের প্রোটিনের উৎস সবসময়ই বৈচিত্র্যময়। ডাল, লেবুজাতীয় শস্য, দুধ, মাংস, ডিম, মাছ এবং গোটা শস্য বা মিলেটের মতো ট্রাডিশনাল উৎসের পাশাপাশি উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিন, প্রোটিন পাউডার, বার এবং সাপ্লিমেন্টের মতো নতুন মাধ্যমগুলো গ্রাহকদের পছন্দ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। একসময় যা কেবল জিম যাওয়া মানুষ বা বিশেষ পুষ্টি দরকার এমন মানুষই ব্যবহার করত, তা আজ ধীরে ধীরে ভারতীয় রান্নায় স্থায়ী জায়গা করে নিচ্ছে। প্রোটিন এখন কেবল দৈনন্দিন খাবার ও সুস্বাস্থ্যের একটি মৌলিক অংশ হিসেবে নতুনভাবে পরিচিত হচ্ছে।
‘গোদরেজ ফুড ট্রেন্ডস রিপোর্ট ২০২৬’-এর ‘প্রোটিন উইল গো নামকিন’ ট্রেন্ড অনুযায়ী, প্রোটিন এখন শুধু বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি সবার খাবারের সাধারণ প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে। চেনা খাবার ও স্ন্যাকসের স্বাদ ও আরাম বজায় রেখে তাতে প্রোটিন যুক্ত করার মাধ্যমেই প্রোটিন খাওয়াকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করা সম্ভব।
এই পরিবর্তনটি ‘প্রোটিনফিকেশন বাই ডিজাইন’-এর ধারণাকেও ফুটিয়ে তোলে। এর অর্থ হলো, প্রোটিন কেবল একটি পুষ্টিগত প্রয়োজনীয়তা না থেকে একটি সুপরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাসে পরিণত হচ্ছে। গোদরেজ ফুডস লিমিটেডের মার্কেটিং অ্যান্ড ইনোভেশনের প্রধান অনুশ্রী দেওয়ান যেমন ব্যাখ্যা করেছেন, “মানুষ আর কোনো আপস করতে চায় না; তারা এমন খাবার চায় যা খেতে সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিও জোগাবে। এখানেই আমরা সুযোগ দেখছি—প্রতিদিনের স্ন্যাকসে প্রোটিন, উচ্চমানের উপাদান এবং দারুণ স্বাদকে এক জায়গায় নিয়ে আসা। যেমন—প্রতি পরিবেশনে ১৬ গ্রাম প্রোটিন এবং আইকিউএফ (IQF) নিউট্রিশন লক-ইনযুক্ত ‘গোদরেজ ইয়ামিজ চিকেন নাগেটস’ প্রমাণ করে যে বাজার কোন দিকে এগোচ্ছে।”
প্রোটিনের পরবর্তী ক্ষেত্র হতে পারে ভারতীয়দের চেনা নোনতা ও সুস্বাদু খাবারগুলো। এটি প্রোটিনকে আলাদা কোনো ক্যাটাগরিতে না রেখে ভারতবাসীর প্রতিদিনের খাবার ও স্ন্যাকসের একটি স্বাভাবিক অংশ করে তুলবে।