রাঙ্গাপানির মণিপাল হসপিটালে পালিত হলো জাতীয় ক্যান্সার জয়ী দিবস
শিলিগুড়ি: ভারতের অন্যতম স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ‘মণিপাল হসপিটাল রাঙ্গাপানি’ ৮ জুন ক্যান্সার সারভাইভারদের অসাধারণ সাহস, সহনশীলতা এবং দৃঢ় সংকল্পকে সম্মান জানাতে ‘জাতীয় ক্যান্সার সারভাইভার দিবস’ উদযাপন করেছে। এই অনুষ্ঠানে ক্যান্সার জয়ী, তাঁদের পরিবার, কেয়ারগিভার এবং হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট ড. অনির্বাণ নাগ, সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট ড. মণীশ গোস্বামী, এবং রেডিয়েশন অনকোলজির অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ড. পৃথ্বীজিৎ মৈত্র। তাঁরা প্রত্যেকেই ক্যান্সার জয়ীদের শক্তি, আশা এবং অধ্যবসায়ের যাত্রাকে কুর্নিশ জানান।
অনুষ্ঠানে হাসপাতালের স্টাফ নার্স শ্রীমতী শর্মিলা গুরুং তাঁর ক্যান্সার যুদ্ধের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে জানান, কীভাবে এটি ব্যক্তিগত ও পেশাগতভাবে তাঁর মানসিক শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। অপর এক ক্যানসার জয়ী গৃহবধূ, শ্রীমতী সৃজনা গুরুং অটল সংকল্প নিয়ে এই মরণব্যাধির মুখোমুখি হওয়ার অনুপ্রেরণামূলক গল্প শোনান। অনুষ্ঠানে ক্যানসারজয়ী আরপিএফ কর্মী শ্রীমতী অপু বর্মনের জীবনযুদ্ধ সকলকে আবেগপ্রবণ করে তোলে।
ড. অনির্বাণ নাগ বলেন, “প্রত্যেক ক্যান্সার জয়ীর গল্পই সাহস এবং দৃঢ় সংকল্পের। জাতীয় ক্যান্সার সারভাইভার দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, রোগীরা যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা, পরিবারের দৃঢ় সমর্থন এবং সহানুভূতিশীল চিকিৎসা পরিষেবা পান, তবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়ী হওয়া সম্ভব।”
ডঃ মণীশ গোস্বামী বলেন, “ক্যান্সারের চিকিৎসা শুধু মেডিকেল পদ্ধতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; রোগীর মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস ও পরিবারের সমর্থনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”
ড. পৃথ্বীজিৎ মৈত্র বলেন, “আধুনিক রেডিয়েশন থেরাপির মাধ্যমে সুস্থ কোষ বাঁচিয়ে সরাসরি টিউমারকে টার্গেট করা যায়। আমাদের লক্ষ্য শুধু চিকিৎসা নয়, রোগীর জীবনের মান বজায় রাখা। এই সচেতনতা মানুষকে বোঝায় যে ক্যান্সার মানেই আশার শেষ নয়।”
এই আয়োজনের মাধ্যমে মণিপাল হসপিটাল রাঙ্গাপানি রোগীদের এই লড়াইয়ের প্রতিটি পদক্ষেপে পাশে থেকে উন্নত ও সহানুভূতিশীল ক্যানসার চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মণিপাল হসপিটাল রাঙ্গাপানি-তে জাতীয় ক্যান্সার জয়ী দিবস পালন
